বর্ষার মরসুম মানেই, রাস্তাঘাটে জমা দূষিত জল। আর এমন পরিবেশেই বাড়-বাড়ন্ত হয় ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার পাশাপাশি হেপাটাইটিসের মতো লিভারের অসুখের। হেপাটাইটিসের বিভিন্ন রকম ধরন রয়েছে। ভাইরাসের আক্রমণে মূলত ৫ রকমের হেপাটাইটিস হয়, এ, বি, সি, ডি, ই। অতিরিক্ত মদ্যপান, ওষুধের প্রভাব-সব বেশ কয়েকটি কারণেও হেপাটাইটিস হতে পারে।
‘হেপাটাইটিস এ’ ও ‘হেপাটাইটিস ই’ ছড়ায় মূলত দূষিত জল থেকে। হেপাটাইটিস বি, সি, ডি ছড়ায় রক্ত ও দেহরসের মাধ্যমে। তাই যে কারও ব্যবহৃত সুচ, ক্ষুর ইত্যাদি সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠতে পারে। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এক বার শরীরে ঢুকলে, সবচেয়ে আগে লিভারে সংক্রমণ ছড়ায়। জন্ডিসের উপসর্গ দেখা দেয়। যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হয়, তা হলে লিভারের জটিল অসুখ দেখা দিতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সমীক্ষা বলছে, ভারতে হেপাটাইটিস বি ও সি-এ আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।
লিভারের এই জটিল অসুখটি হলেও, তা যাতে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে না যায়, সে জন্য শুরু থেকে সাবধানতা দরকার। অনেক সময় কিছু সাধারণ উপসর্গ না বুঝে লোকে এড়িয়ে যান। অথচ তা কিন্তু হেপাটাইটিসের লক্ষণও হতে পারে। এমন কোন লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হলে সতর্কতা জরুরি।
ক্লান্তি: দিনের শেষে ক্লান্তিকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নেন অনেকে। ভাবেন, বেশি শ্রম বা কম ঘুমের ফলেই এমন হচ্ছে। তবে ক্রমাগত যদি ক্লান্তি দোসর হয় এবং তার যথাযথ কারণ না থাকে, তবে সতর্কতা জরুরি। বিপাকক্রিয়ায় লিভারের ভূমিকা থাকে। কোনও কারণে, লিভারের কর্মক্ষমতা কমে গেলে প্রদাহ হতে পারে, বিপাকজনিত সমস্যাও হতে পারে। ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর।
খিদে না হওয়া: আচমকা খিদে কমে যাওয়া, দিনের পর দিন খাওয়ায় অনীহা থাকলেও সতর্কতা জরুরি। লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে এমন সমস্যা হতে পারে। খেতে ইচ্ছা না করা, বমিভাব একসঙ্গে সপ্তাহখানেক চললে, অতি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারণ তা হেপাটাইটিসের উপসর্গ হতে পারে।
বমি: ঘন ঘন অম্বল, পেটে অস্বস্তি, খিদে না হাওয়া এবং বমি— সবটাই একযোগে দিনকয়েক চললেই নজর দেওয়া প্রয়োজন। সাধারণ গ্যাস-অম্বল ভেবে নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা ক্ষেত্রবিশেষে বিপজ্জনক হতে পারে। বমিভাব এবং বমি হওয়াও হেপাটাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।
পেটের উপরের অংশে ডান দিকে ব্যথা: পেটের উপরের অংশে ফোলা ভাব, অস্বস্তি, ডান দিকে ব্যথা হলে সতর্কতা দরকার। পাশাপাশি জ্বর হলেও সতর্ক হতে হবে। এগুলি হেপাটাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।
প্রস্রাবের রং বদল: প্রস্রাবে অন্য রকম গন্ধ, গাঢ় হলুদ বা লালচে রং দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হতে হবে। গরমের দিনে জল কম খেলে অনেক সময় হলুদ প্রস্রাব হয়। কিন্তু জল খাওয়ার পরেও যদি এমনটা চলতে থাকে, সতর্কতা প্রয়োজন।
হেপাটাইটিস হয়েছে কি না, বোঝার জন্য রক্তপরীক্ষা রয়েছে। হেপাটাইটিস ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশ্রাম এবং চিকিৎসা দরকার। হেপাটাইটিস বি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন। নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করে দেখতে হবে হেপাটাইটিস বি নেগেটিভ হয়েছে কি না।
‘হেপাটাইটিস এ’ ও ‘হেপাটাইটিস ই’ ছড়ায় মূলত দূষিত জল থেকে। হেপাটাইটিস বি, সি, ডি ছড়ায় রক্ত ও দেহরসের মাধ্যমে। তাই যে কারও ব্যবহৃত সুচ, ক্ষুর ইত্যাদি সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠতে পারে। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এক বার শরীরে ঢুকলে, সবচেয়ে আগে লিভারে সংক্রমণ ছড়ায়। জন্ডিসের উপসর্গ দেখা দেয়। যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হয়, তা হলে লিভারের জটিল অসুখ দেখা দিতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সমীক্ষা বলছে, ভারতে হেপাটাইটিস বি ও সি-এ আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।
লিভারের এই জটিল অসুখটি হলেও, তা যাতে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে না যায়, সে জন্য শুরু থেকে সাবধানতা দরকার। অনেক সময় কিছু সাধারণ উপসর্গ না বুঝে লোকে এড়িয়ে যান। অথচ তা কিন্তু হেপাটাইটিসের লক্ষণও হতে পারে। এমন কোন লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হলে সতর্কতা জরুরি।
ক্লান্তি: দিনের শেষে ক্লান্তিকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নেন অনেকে। ভাবেন, বেশি শ্রম বা কম ঘুমের ফলেই এমন হচ্ছে। তবে ক্রমাগত যদি ক্লান্তি দোসর হয় এবং তার যথাযথ কারণ না থাকে, তবে সতর্কতা জরুরি। বিপাকক্রিয়ায় লিভারের ভূমিকা থাকে। কোনও কারণে, লিভারের কর্মক্ষমতা কমে গেলে প্রদাহ হতে পারে, বিপাকজনিত সমস্যাও হতে পারে। ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর।
খিদে না হওয়া: আচমকা খিদে কমে যাওয়া, দিনের পর দিন খাওয়ায় অনীহা থাকলেও সতর্কতা জরুরি। লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে এমন সমস্যা হতে পারে। খেতে ইচ্ছা না করা, বমিভাব একসঙ্গে সপ্তাহখানেক চললে, অতি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারণ তা হেপাটাইটিসের উপসর্গ হতে পারে।
বমি: ঘন ঘন অম্বল, পেটে অস্বস্তি, খিদে না হাওয়া এবং বমি— সবটাই একযোগে দিনকয়েক চললেই নজর দেওয়া প্রয়োজন। সাধারণ গ্যাস-অম্বল ভেবে নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা ক্ষেত্রবিশেষে বিপজ্জনক হতে পারে। বমিভাব এবং বমি হওয়াও হেপাটাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।
পেটের উপরের অংশে ডান দিকে ব্যথা: পেটের উপরের অংশে ফোলা ভাব, অস্বস্তি, ডান দিকে ব্যথা হলে সতর্কতা দরকার। পাশাপাশি জ্বর হলেও সতর্ক হতে হবে। এগুলি হেপাটাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।
প্রস্রাবের রং বদল: প্রস্রাবে অন্য রকম গন্ধ, গাঢ় হলুদ বা লালচে রং দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হতে হবে। গরমের দিনে জল কম খেলে অনেক সময় হলুদ প্রস্রাব হয়। কিন্তু জল খাওয়ার পরেও যদি এমনটা চলতে থাকে, সতর্কতা প্রয়োজন।
হেপাটাইটিস হয়েছে কি না, বোঝার জন্য রক্তপরীক্ষা রয়েছে। হেপাটাইটিস ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশ্রাম এবং চিকিৎসা দরকার। হেপাটাইটিস বি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন। নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করে দেখতে হবে হেপাটাইটিস বি নেগেটিভ হয়েছে কি না।
ফারহানা জেরিন