রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর সরকারি খাদ্যগুদামে চলতি মৌসুমের সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হতে চলেছে।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেট চক্রের সুযোগ না দিয়ে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে নির্ধারিত ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন হতে চলেছে। অভিযান চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ইতমধ্যে সিংহভাগ সংগ্রহ হয়েছে বাকি টুকু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ক্রয করা সম্পন্ন হবে।
জানা গেছে, ২০২৬ সালে মোহনপুর উপজেলায় অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪৯ টাকা কেজী দরে অটো ও হাস্কিং মিল থেকে ২৫৯ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজী দরে ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। আগামী ৩১ আগস্ট এই কার্যক্রম চলবে।
খাদ্যগুদাম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা কৃষি বিভাগের প্রস্তুতকৃত তালিকা অনুযায়ী প্রকৃত তালিকাভূক্ত কৃষকদের কাছ থেকেই সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এই ধান কেনা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি মণ এক হাজার ৪৪০ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে মানসম্মত ধান সংগ্রহ করা হয়েছে, যেখানে কোনো আড়তদার বা ব্যবসায়ীর প্রবেশের সুযোগ ছিল না।
উপজেলার ঘাষিগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষক মহাসিন আলী, আফজাল হোসেন ও আকতার হোসেন, ধুরইল ইউনিয়নের (ইউপি) আব্দুর রাজ্জাক, মোর্তুজা ও আলী হোসেন বলেন, এবার তারা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই গুদামে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন।
কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, এবার স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধান কেনা হচ্ছে।তিনি নিজেও কোনো এবার কোনো ঝামেলা ছাড়াই ধান দিতে পেরেছেন। ভিমনগর গ্রামের কৃষক আফজাল বলেন, এবার কোনো ঝামেলা ছাড়াই তারা ধান দিতে পেরেছেন।তিনি বলেন, তার গ্রাম থেকে অনেক কৃষক এবার সরাসরি গুদামে ধান দিতে পেরেছে।
সম্প্রতি মোহনপুর খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ নিয়ে কিছু মহলে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ সত্যবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি মেলেনি। তারা সরকারি কর্মচারী হিসেবে কেবল তাদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেছেন, ধান ক্রয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত বা তালিকা প্রণয়নের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিষয়ে মোহনপুর খাদ্যগুদামের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) জানান, ইতমধ্যে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার সিংহভাগ ধান সংগ্রহ হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। আগামি ৩১ আগস্টের আগেই পুরো ধান কেনা সম্পন্ন হবে। একটি পক্ষ প্রকৃত কৃষকদের কোনো বক্তব্য বা সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মনগড়া অভিযোগ ছড়ানোর চেষ্টা করছে,যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এবিষয়ে মোহনপুর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) সুজন বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কোনো সুযোগ নেই এবং পুরো কার্যক্রমে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ বলেন, মোহনপুর খাদ্যশস্য ক্রয় অভিযানে কোনো ধরণের অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই।কেউ অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেট চক্রের সুযোগ না দিয়ে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে নির্ধারিত ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন হতে চলেছে। অভিযান চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ইতমধ্যে সিংহভাগ সংগ্রহ হয়েছে বাকি টুকু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ক্রয করা সম্পন্ন হবে।
জানা গেছে, ২০২৬ সালে মোহনপুর উপজেলায় অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪৯ টাকা কেজী দরে অটো ও হাস্কিং মিল থেকে ২৫৯ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজী দরে ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। আগামী ৩১ আগস্ট এই কার্যক্রম চলবে।
খাদ্যগুদাম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা কৃষি বিভাগের প্রস্তুতকৃত তালিকা অনুযায়ী প্রকৃত তালিকাভূক্ত কৃষকদের কাছ থেকেই সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এই ধান কেনা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি মণ এক হাজার ৪৪০ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে মানসম্মত ধান সংগ্রহ করা হয়েছে, যেখানে কোনো আড়তদার বা ব্যবসায়ীর প্রবেশের সুযোগ ছিল না।
উপজেলার ঘাষিগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষক মহাসিন আলী, আফজাল হোসেন ও আকতার হোসেন, ধুরইল ইউনিয়নের (ইউপি) আব্দুর রাজ্জাক, মোর্তুজা ও আলী হোসেন বলেন, এবার তারা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই গুদামে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন।
কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, এবার স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধান কেনা হচ্ছে।তিনি নিজেও কোনো এবার কোনো ঝামেলা ছাড়াই ধান দিতে পেরেছেন। ভিমনগর গ্রামের কৃষক আফজাল বলেন, এবার কোনো ঝামেলা ছাড়াই তারা ধান দিতে পেরেছেন।তিনি বলেন, তার গ্রাম থেকে অনেক কৃষক এবার সরাসরি গুদামে ধান দিতে পেরেছে।
সম্প্রতি মোহনপুর খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ নিয়ে কিছু মহলে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ সত্যবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি মেলেনি। তারা সরকারি কর্মচারী হিসেবে কেবল তাদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেছেন, ধান ক্রয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত বা তালিকা প্রণয়নের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিষয়ে মোহনপুর খাদ্যগুদামের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) জানান, ইতমধ্যে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার সিংহভাগ ধান সংগ্রহ হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। আগামি ৩১ আগস্টের আগেই পুরো ধান কেনা সম্পন্ন হবে। একটি পক্ষ প্রকৃত কৃষকদের কোনো বক্তব্য বা সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মনগড়া অভিযোগ ছড়ানোর চেষ্টা করছে,যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এবিষয়ে মোহনপুর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) সুজন বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কোনো সুযোগ নেই এবং পুরো কার্যক্রমে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ বলেন, মোহনপুর খাদ্যশস্য ক্রয় অভিযানে কোনো ধরণের অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই।কেউ অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
আলিফ হোসেন