অটোইমিউন ডিজিজ হল এমন এক ধরনের রোগ, যেখানে নিজেই নিজের কোষকে চিনতে পারে না শরীর। ফলে শরীরের কোষগুলি একে অপরের শত্রু হয়ে ওঠে। জন্মের কয়েক বছরের মধ্যেই শিশুর শরীর নিজের কোষ ও ‘ফরেন বডি’র মধ্যে তফাত বুঝতে শুরু করে। সাধারণত অ্যান্টিজেন শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করে জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে অনাক্রম্যতা বাড়ায়। কিন্তু অটোইমিউন ডিজিজের ক্ষেত্রে শরীর নিজের কোষের বিরুদ্ধে একটা প্রোটিন তৈরি করে নিজের ক্ষতি করতে শুরু করে। দেহে সৃষ্ট অ্যান্টিবডি শরীরের নানা অংশকে ভুল করে অ্যান্টিজেন ভেবে বসে ও জীবাণুর মতো ধ্বংস করে দিতে থাকে। ‘ভাস্কুলাইটিস’ হল এমনই এক ধরনের অটোইমিউন অসুখ। শরীরের রক্তনালিকাগুলিতে যদি প্রদাহ হয়, তখন তাকে বলা হয় ভাস্কুলাইটিস।
রক্তনালির প্রদাহকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১) বড় রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের সবচেয়ে বড় ধমনী যেমন অ্যাওর্টা আক্রান্ত হয়।
২) মাঝারি রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের মাঝারি মাপের ধমনীগুলি আক্রান্ত হয়।
৩) ছোট রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের অঙ্গের ভিতরে যে ছোট ছোট রক্তজালিকা আছে, সেগুলি আক্রান্ত হয়।
অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম একটা বড় কারণ হল ভাস্কুলাইটিস।
রক্তনালির প্রদাহজনিত কারণে ৩ ভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়।
১) রক্তনালি সরু হয়ে যাওয়া
প্রদাহের কারণে রক্তনালির ভিতরের দেওয়াল ফুলে যায়। ফলে রক্ত চলাচলের রাস্তা সরু হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ হৃদ্যন্ত্রে রক্ত কম যায়, সেই থেকে হয় হার্ট অ্যাটাক।
২) রক্তনালি দুর্বল হয়ে ফেটে যাওয়া বা ব্লাড ক্লট
প্রদাহের কারণে রক্তনালির দেওয়াল দুর্বল হয়ে যায়। শরীর সেটা সারাতে সেখানে রক্তের দলা তৈরি করে। এই দলাটা হঠাৎ করে পুরো রক্তনালি বন্ধ করে দেয়, ফলে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
৩) অ্যানিউরিজম তৈরি হওয়া
প্রদাহে রক্তনালি বেলুনের মতো ফুলে যায়। একে অ্যানিউরিজম বলে। এটা ফেটে গেলে ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়ে হার্ট অ্যাটাক হয়।
তাই অল্প বয়সে যদি কারণ ছাড়া বুকে ব্যথা, জ্বর, ওজন কমা, শরীরে র্যাশ থাকে আর ইসিজি/ইকোর রিপোর্ট একদম ঠিকঠাক আসে, তা হলে ভাস্কুলাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। উপসর্গ দেখলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
রক্তনালির প্রদাহকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১) বড় রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের সবচেয়ে বড় ধমনী যেমন অ্যাওর্টা আক্রান্ত হয়।
২) মাঝারি রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের মাঝারি মাপের ধমনীগুলি আক্রান্ত হয়।
৩) ছোট রক্তনালির ভাস্কুলাইটিস। যেখানে শরীরের অঙ্গের ভিতরে যে ছোট ছোট রক্তজালিকা আছে, সেগুলি আক্রান্ত হয়।
অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম একটা বড় কারণ হল ভাস্কুলাইটিস।
রক্তনালির প্রদাহজনিত কারণে ৩ ভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়।
১) রক্তনালি সরু হয়ে যাওয়া
প্রদাহের কারণে রক্তনালির ভিতরের দেওয়াল ফুলে যায়। ফলে রক্ত চলাচলের রাস্তা সরু হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ হৃদ্যন্ত্রে রক্ত কম যায়, সেই থেকে হয় হার্ট অ্যাটাক।
২) রক্তনালি দুর্বল হয়ে ফেটে যাওয়া বা ব্লাড ক্লট
প্রদাহের কারণে রক্তনালির দেওয়াল দুর্বল হয়ে যায়। শরীর সেটা সারাতে সেখানে রক্তের দলা তৈরি করে। এই দলাটা হঠাৎ করে পুরো রক্তনালি বন্ধ করে দেয়, ফলে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
৩) অ্যানিউরিজম তৈরি হওয়া
প্রদাহে রক্তনালি বেলুনের মতো ফুলে যায়। একে অ্যানিউরিজম বলে। এটা ফেটে গেলে ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়ে হার্ট অ্যাটাক হয়।
তাই অল্প বয়সে যদি কারণ ছাড়া বুকে ব্যথা, জ্বর, ওজন কমা, শরীরে র্যাশ থাকে আর ইসিজি/ইকোর রিপোর্ট একদম ঠিকঠাক আসে, তা হলে ভাস্কুলাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। উপসর্গ দেখলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
ফারহানা জেরিন