স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়; বরং জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের চলমান রূপান্তরের এ সময়ে জনগণের আস্থা অর্জনই হতে হবে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।
রোববার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (প্রথম পর্যায়) ছয় মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের কর্মকর্তাদের ফিরে আসা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। অতীতে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বাহিনীকে আধুনিক, মানবিক ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে পুলিশে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি চালু করা হয়েছে, যাতে ভালো কাজের স্বীকৃতি এবং অপরাধের ক্ষেত্রে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ জি এম আজিজুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে শপথ গ্রহণ শেষে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
রোববার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (প্রথম পর্যায়) ছয় মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের কর্মকর্তাদের ফিরে আসা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। অতীতে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বাহিনীকে আধুনিক, মানবিক ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে পুলিশে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি চালু করা হয়েছে, যাতে ভালো কাজের স্বীকৃতি এবং অপরাধের ক্ষেত্রে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ জি এম আজিজুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে শপথ গ্রহণ শেষে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :