রাজশাহী নগরীতে চন্দ্রিমা, রাজপাড়া, পবা ও বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চার মাদক কারবারী গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সোমবার রাত ৮টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, সোমবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ পুড়াপুকুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মতিহার থানার বামন শিকর উত্তরপাড়া গ্রামের মোঃ খলিলুর রহমানের ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে।
এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ বসুয়া অচিনতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ একই এলাকার মোঃ মুক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজানকে (২৬) গ্রেপ্তার করে। মিজানের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় একটি পেনাল কোড মামলা, রাজপাড়া থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা এবং একটি মাদক মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে পবা থানা পুলিশ তরফ পারিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ চক পারিলা গ্রামের মোঃ মাসুদ রানার ছেলে মোঃ আলমগীর কবিরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। তবে তার সহযোগী একই এলাকার মোঃ আজাহার আলীর ছেলে মোঃ বাবু হোসেন (৫৪) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর কবির ও পলাতক বাবু হোসেন দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
অন্যদিকে, রবিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি বাসার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে খরবোনা নদীর ধার এলাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সহ কেতাবুরের ছেলে মোঃ রুহুল আমিনকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার রাত ৮টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, সোমবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ পুড়াপুকুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মতিহার থানার বামন শিকর উত্তরপাড়া গ্রামের মোঃ খলিলুর রহমানের ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে।
এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ বসুয়া অচিনতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ একই এলাকার মোঃ মুক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান ওরফে মিজানকে (২৬) গ্রেপ্তার করে। মিজানের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় একটি পেনাল কোড মামলা, রাজপাড়া থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা এবং একটি মাদক মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে পবা থানা পুলিশ তরফ পারিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ চক পারিলা গ্রামের মোঃ মাসুদ রানার ছেলে মোঃ আলমগীর কবিরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। তবে তার সহযোগী একই এলাকার মোঃ আজাহার আলীর ছেলে মোঃ বাবু হোসেন (৫৪) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর কবির ও পলাতক বাবু হোসেন দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
অন্যদিকে, রবিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি বাসার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে খরবোনা নদীর ধার এলাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সহ কেতাবুরের ছেলে মোঃ রুহুল আমিনকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :