সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক নারীর ঘর থেকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আব্দুল মান্নান নামে এক যুবদল নেতাকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে মারধরেরও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হরিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুল মান্নানকে সেখান থেকে নিয়ে যান।
আব্দুল মান্নান শ্যামনগর পৌরসভার চণ্ডীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর সঙ্গে তার আগে থেকেই পরিচয় ছিল।
স্থানীয়দের দাবি, ওই রাতে তারা এক নারীর বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে আব্দুল মান্নানকে বের করে আনা হয়। এ সময় তাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। পরে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।
ওই নারী অভিযোগ করেন, আব্দুল মান্নান বিভিন্ন সময় তার বাড়িতে গিয়ে তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ঘটনার রাতে বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তিনি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন বলে দাবি তার।
শ্যামনগর পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরিদুজ্জামান বাবু বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করে সংশ্লিষ্টদের সরিয়ে নেন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হরিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুল মান্নানকে সেখান থেকে নিয়ে যান।
আব্দুল মান্নান শ্যামনগর পৌরসভার চণ্ডীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর সঙ্গে তার আগে থেকেই পরিচয় ছিল।
স্থানীয়দের দাবি, ওই রাতে তারা এক নারীর বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে আব্দুল মান্নানকে বের করে আনা হয়। এ সময় তাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। পরে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।
ওই নারী অভিযোগ করেন, আব্দুল মান্নান বিভিন্ন সময় তার বাড়িতে গিয়ে তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ঘটনার রাতে বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তিনি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন বলে দাবি তার।
শ্যামনগর পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরিদুজ্জামান বাবু বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করে সংশ্লিষ্টদের সরিয়ে নেন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক