যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ বছর এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারা দেশের সঙ্গে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন। তিনি ফলাফলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান ও সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৭১ হাজার ৯৭৯ জন।
ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীরা তুলনামূলক ভালো করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের বড় অংশও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মানবিক বিভাগের ফলাফল তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক। এ বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৮৫ হাজার ২৩৮ জন হলেও পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এর মধ্যে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শূন্য পাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড।
সংবাদ সম্মেলনে সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, যশোর বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ পাস করলেও মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ হওয়াটা উদ্বেগের বিষয়। ফলাফলের এই বৈষম্য কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এবারও ফলাফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ভালো করেছে। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের লক্ষ্য।
এদিকে ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবে।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সেই হিসাবে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড জাতীয় গড়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ১০ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে সর্বনিম্ন ৫১ দশমিক ৮৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারা দেশের সঙ্গে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন। তিনি ফলাফলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান ও সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৭১ হাজার ৯৭৯ জন।
ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীরা তুলনামূলক ভালো করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের বড় অংশও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মানবিক বিভাগের ফলাফল তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক। এ বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৮৫ হাজার ২৩৮ জন হলেও পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এর মধ্যে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শূন্য পাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড।
সংবাদ সম্মেলনে সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, যশোর বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ পাস করলেও মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ হওয়াটা উদ্বেগের বিষয়। ফলাফলের এই বৈষম্য কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এবারও ফলাফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ভালো করেছে। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের লক্ষ্য।
এদিকে ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবে।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সেই হিসাবে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড জাতীয় গড়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ১০ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে সর্বনিম্ন ৫১ দশমিক ৮৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
অনলাইন ডেস্ক