চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার একটি বসতঘরে মজুত করা ককটেলের বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গিধনিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গিধনিপাড়া গ্রামের সোলেমান আলীর ছেলে এমদাদুল হকের (৫২) আধাপাকা বসতবাড়ির একটি অসম্পূর্ণ ঘরে ককটেলগুলো রাখা ছিল। ঘরটির এখনো ছাদ নির্মাণ করা হয়নি। সেখানে একটি লাল বালতির ভেতরে রাখা অন্তত চার থেকে পাঁচটি ককটেল একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়।
হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনায় আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরটি তল্লাশি করে মেঝে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে।
সদর থানার পরিদর্শক (অভিযান) আব্দুর রউফ বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনার পর এমদাদুল হক সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এমদাদুল হককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গিধনিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গিধনিপাড়া গ্রামের সোলেমান আলীর ছেলে এমদাদুল হকের (৫২) আধাপাকা বসতবাড়ির একটি অসম্পূর্ণ ঘরে ককটেলগুলো রাখা ছিল। ঘরটির এখনো ছাদ নির্মাণ করা হয়নি। সেখানে একটি লাল বালতির ভেতরে রাখা অন্তত চার থেকে পাঁচটি ককটেল একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়।
হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনায় আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরটি তল্লাশি করে মেঝে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে।
সদর থানার পরিদর্শক (অভিযান) আব্দুর রউফ বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনার পর এমদাদুল হক সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এমদাদুল হককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলছে।
অনলাইন ডেস্ক