অবশেষে সুর নরম আমেরিকার! হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দিলে ইরানকে হয়তো পরমাণু চুক্তি মানতে বাধ্য করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। সেখানে এ-ও জানানো হয়েছে, ইরান হরমুজ খুলে দিলে যুদ্ধে নৈতিক জয়ের কথা ঘোষণা করে দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প বন্ধ করার জন্যই সংঘাতের পথে হেঁটেছিল আমেরিকা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তা নিয়ে উত্তপ্ত হয় পশ্চিম এশিয়া। আমেরিকার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, ট্রাম্প নিজের সহযোগীদের ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানকে তিনি আর চাপ দেবেন না।
ইরান যদিও এর আগে হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে। কোটি কোটি ডলার দাবি করেছে। জানিয়েছে, হরমুজে আমেরিকা যে পাল্টা অবরোধ করেছিল, তা-ও তুলে নিতে হবে। তেহরান যে শর্তগুলি দিয়েছে, তার ফলে আমেরিকার সামনে কূটনৈতিক ভাবে সংঘাত মেটার খুব বেশি পথ আর পড়ে থাকে না বলে মনে করেন অনেকে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদন বলছে, আমেরিকা সাফ জানিয়েছে সে সব শর্ত তারা মানবে না। হরমুজ পারাপারকারী জাহাজে শুল্ক বসাতেও দেবে না। সে ক্ষেত্রে আরও প্রলম্বিত হতে পারে যুদ্ধ। মনে করা হচ্ছে, সে কারণেই মাঝামাঝি একটি পথ ধরতে চায় আমেরিকা, যাতে সম্মানজনক ভাবে সংঘাতে ইতি টানা যায়। সে জন্যই তেহরানকে পরমাণু চুক্তি করানোর দাবি থেকে সরতে পারেন ট্রাম্প।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী। আপাতত এই প্রণালী নিজেদের ‘নিয়ন্ত্রণে’ রেখেছে বলে দাবি করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ ওই প্রণালী পার করার চেষ্টা করলে হামলার সম্মুখীন হতে পারে। গত কয়েক দিনে ওই জলপথে কয়েকটি জাহাজ আক্রান্তও হয়। সেই ঘটনার পর নতুন করে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। তবে দিন কয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকবে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে একটা চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে তেহরানের সঙ্গে। এ বার কি সংঘাতে ইতি টানার পথ পেয়ে গেল আমেরিকা!
ইরানের পরমাণু প্রকল্প বন্ধ করার জন্যই সংঘাতের পথে হেঁটেছিল আমেরিকা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তা নিয়ে উত্তপ্ত হয় পশ্চিম এশিয়া। আমেরিকার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, ট্রাম্প নিজের সহযোগীদের ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানকে তিনি আর চাপ দেবেন না।
ইরান যদিও এর আগে হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে। কোটি কোটি ডলার দাবি করেছে। জানিয়েছে, হরমুজে আমেরিকা যে পাল্টা অবরোধ করেছিল, তা-ও তুলে নিতে হবে। তেহরান যে শর্তগুলি দিয়েছে, তার ফলে আমেরিকার সামনে কূটনৈতিক ভাবে সংঘাত মেটার খুব বেশি পথ আর পড়ে থাকে না বলে মনে করেন অনেকে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদন বলছে, আমেরিকা সাফ জানিয়েছে সে সব শর্ত তারা মানবে না। হরমুজ পারাপারকারী জাহাজে শুল্ক বসাতেও দেবে না। সে ক্ষেত্রে আরও প্রলম্বিত হতে পারে যুদ্ধ। মনে করা হচ্ছে, সে কারণেই মাঝামাঝি একটি পথ ধরতে চায় আমেরিকা, যাতে সম্মানজনক ভাবে সংঘাতে ইতি টানা যায়। সে জন্যই তেহরানকে পরমাণু চুক্তি করানোর দাবি থেকে সরতে পারেন ট্রাম্প।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী। আপাতত এই প্রণালী নিজেদের ‘নিয়ন্ত্রণে’ রেখেছে বলে দাবি করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ ওই প্রণালী পার করার চেষ্টা করলে হামলার সম্মুখীন হতে পারে। গত কয়েক দিনে ওই জলপথে কয়েকটি জাহাজ আক্রান্তও হয়। সেই ঘটনার পর নতুন করে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। তবে দিন কয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকবে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে একটা চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে তেহরানের সঙ্গে। এ বার কি সংঘাতে ইতি টানার পথ পেয়ে গেল আমেরিকা!
আন্তজার্তিক ডেস্ক