ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের, আহত ৭৫। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর। যুদ্ধের চার বছরে রাশিয়ার মাটিতে ইউক্রেনের চালানো অন্যতম ভয়াবহ হামলা এটি। ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে শিল্পনগরী নিজনেকামস্কে এই হামলা হয়েছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল তাতারস্তানের তানেকো তেল শোধনাগার, যা রুশ তেল সংস্থা ট্যাটনেফ্টের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা কমানোর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
রুশ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রেস সার্ভিস জানিয়েছে, হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ার ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির রিপোর্ট বলছে, মৃতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আঞ্চলিক প্রশাসন জানিয়েছে, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের নাগরিকরাও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে তেল সংলগ্ন এলাকায় ঘন কালো ধোঁয়ার ছবি দেখা গিয়েছে। ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাতভর শত শত ড্রোন
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাতভর ইউক্রেনের ছোড়া ৪৫৬টি ড্রোন ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। তবে কতগুলি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে কোনও তথ্য দেয়নি মস্কো। তাতারস্তান প্রশাসন এর আগে হামলাটিকে ‘বড় আকারের’ ড্রোন হামলা বলে জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের এয়ারফোর্স জানিয়েছে, রাতভর ১২৬টি ড্রোন ছুড়েছে রাশিয়া।
খারকিভে রুশ হামলায় নিহত ৫
একই দিনে ইউক্রেনেও প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বুগাইকা গ্রামে রুশ গোলাবর্ষণে মারা গেছেন পাঁচ জন। হামলায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের হামলায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আবার ফ্রন্টলাইন খেরসন অঞ্চলে রুশ ড্রোনের হামলায় একটি ট্যাক্সিতে থাকা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
শীতের আগে বিদ্যুৎ নিয়ে উদ্বেগ
রুশ হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ পরিকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সপ্তাহান্তে বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পর দক্ষিণ ইউক্রেনের ওদেসা অঞ্চলে এখনও বহু পরিবার বিদ্যুৎহীন বলে খবর।
শীত সামনে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে কিভে। গত শীতে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সময় রুশ হামলায় বিদ্যুৎ, গরম জল এবং হিটিং পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রুশ হামলার পর দেশে কার্যত কোনও অক্ষত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নেই।
একই সঙ্গে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতিও তৈরি হয়েছে ইউক্রেনে। গত দু’মাসে কিভে আবাসিক ভবনে সরাসরি হামলায় বহু মানুষের প্রাণ গেছে। ফলে গত ৪ বছর ধরে দীর্ঘ হামলার পর দুই দেশের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল তাতারস্তানের তানেকো তেল শোধনাগার, যা রুশ তেল সংস্থা ট্যাটনেফ্টের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা কমানোর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
রুশ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রেস সার্ভিস জানিয়েছে, হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ার ইনভেস্টিগেটিভ কমিটির রিপোর্ট বলছে, মৃতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আঞ্চলিক প্রশাসন জানিয়েছে, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের নাগরিকরাও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে তেল সংলগ্ন এলাকায় ঘন কালো ধোঁয়ার ছবি দেখা গিয়েছে। ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাতভর শত শত ড্রোন
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাতভর ইউক্রেনের ছোড়া ৪৫৬টি ড্রোন ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। তবে কতগুলি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে কোনও তথ্য দেয়নি মস্কো। তাতারস্তান প্রশাসন এর আগে হামলাটিকে ‘বড় আকারের’ ড্রোন হামলা বলে জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের এয়ারফোর্স জানিয়েছে, রাতভর ১২৬টি ড্রোন ছুড়েছে রাশিয়া।
খারকিভে রুশ হামলায় নিহত ৫
একই দিনে ইউক্রেনেও প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বুগাইকা গ্রামে রুশ গোলাবর্ষণে মারা গেছেন পাঁচ জন। হামলায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের হামলায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আবার ফ্রন্টলাইন খেরসন অঞ্চলে রুশ ড্রোনের হামলায় একটি ট্যাক্সিতে থাকা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
শীতের আগে বিদ্যুৎ নিয়ে উদ্বেগ
রুশ হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ পরিকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সপ্তাহান্তে বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পর দক্ষিণ ইউক্রেনের ওদেসা অঞ্চলে এখনও বহু পরিবার বিদ্যুৎহীন বলে খবর।
শীত সামনে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে কিভে। গত শীতে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সময় রুশ হামলায় বিদ্যুৎ, গরম জল এবং হিটিং পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রুশ হামলার পর দেশে কার্যত কোনও অক্ষত তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নেই।
একই সঙ্গে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতিও তৈরি হয়েছে ইউক্রেনে। গত দু’মাসে কিভে আবাসিক ভবনে সরাসরি হামলায় বহু মানুষের প্রাণ গেছে। ফলে গত ৪ বছর ধরে দীর্ঘ হামলার পর দুই দেশের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক