রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণের অভিযোগে রকি (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নগরীর শিরোইল কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক রকি কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকার দুখু মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা থেকে একটি বাড়ির বাথরুমের এক্সজস্ট ফ্যানের ফাঁক দিয়ে ওই ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করছিলেন তিনি। বিষয়টি টের পেয়ে ওই ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর ওই ছাত্রী বাথরুম থেকে বের হয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা রকিকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে লাইলি নামে এক নারীর বাড়ি থেকে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, লাইলির বাড়ির ভাড়াটিয়া তানিয়া হিজরার সঙ্গে রকির বন্ধুত্বের সুবাদে ওই বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল।
এদিকে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে রকি তার মোবাইল ফোনে এলাকার কয়েকজন মেয়েসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন নারীর গোপন ভিডিও থাকার দাবি করেছেন বলে জানা গেছে। এসব ভিডিও ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট নারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হতো বলেও তিনি দাবি করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয়দের কাছে রকি ওই বাড়ির ছাদে নিয়মিত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আসর বসার অভিযোগও করেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে একজন নাবালিকার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণের অভিযোগ এবং মোবাইল ফোনে অন্য নারীদের গোপন ভিডিও থাকার দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগগুলো সত্য হলে বিষয়টি শুধু একজন নাবালিকার গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের বিষয়ও তদন্তের দাবি রাখে।
চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, ভিডিও ধারণের অভিযোগে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নগরীর শিরোইল কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক রকি কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকার দুখু মিয়ার ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা থেকে একটি বাড়ির বাথরুমের এক্সজস্ট ফ্যানের ফাঁক দিয়ে ওই ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করছিলেন তিনি। বিষয়টি টের পেয়ে ওই ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর ওই ছাত্রী বাথরুম থেকে বের হয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা রকিকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে লাইলি নামে এক নারীর বাড়ি থেকে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, লাইলির বাড়ির ভাড়াটিয়া তানিয়া হিজরার সঙ্গে রকির বন্ধুত্বের সুবাদে ওই বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল।
এদিকে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে রকি তার মোবাইল ফোনে এলাকার কয়েকজন মেয়েসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন নারীর গোপন ভিডিও থাকার দাবি করেছেন বলে জানা গেছে। এসব ভিডিও ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট নারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হতো বলেও তিনি দাবি করেছেন।
এ ছাড়া স্থানীয়দের কাছে রকি ওই বাড়ির ছাদে নিয়মিত মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আসর বসার অভিযোগও করেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে একজন নাবালিকার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণের অভিযোগ এবং মোবাইল ফোনে অন্য নারীদের গোপন ভিডিও থাকার দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগগুলো সত্য হলে বিষয়টি শুধু একজন নাবালিকার গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের বিষয়ও তদন্তের দাবি রাখে।
চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, ভিডিও ধারণের অভিযোগে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক