রাজশাহীর পদ্মা, পারিজাত, মহানন্দা ও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য স্থায়ী উপাসনালয় (মন্দির) নির্মাণে জমি বরাদ্দ চেয়ে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের কাছে আবেদন করেছে আবাসিক পূজা উদযাপন পরিষদ, ভদ্রা।
রবিবার ১৬ আগস্ট সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আরডিএ চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদনপত্র জমা দেন।
আবেদনপত্রে বলা হয়, পদ্মা, পারিজাত, মহানন্দা ও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকা এবং সংলগ্ন এলাকায় বর্তমানে দুই শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকার বাসিন্দারা ধর্মীয় উপাসনা, পূজা-পার্বণ ও অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য একটি স্থায়ী উপাসনালয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। তবে এলাকায় স্থায়ী কোনো মন্দির বা উপাসনালয় না থাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের।
আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে স্থায়ী উপাসনালয়ের জন্য আরডিএ চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়েছিল। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং সুযোগ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে বিবেচনা করা হবে।
আবাসিক পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়, পদ্মা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর রোডের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্নারে (রেলওয়ে স্থাপনা সংলগ্ন) একটি প্লট উপাসনালয়ের জন্য চিহ্নিত রয়েছে। এছাড়া পদ্মা আবাসিক পোস্ট অফিসের পেছনে শাখা জায়গাটিও তাদের নজরে রয়েছে।
আবেদনপত্রে বলা হয়, উল্লিখিত দুটি জায়গার যেকোনো একটিতে জমি বরাদ্দ দেওয়া হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে আবাসিক পূজা উদযাপন পরিষদ ভদ্রার সাধারণ সম্পাদক সুদীপ কুমার পোদ্দার ও সভাপতি কল্পনা সাহা আরডিএ চেয়ারম্যানের কাছে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
রবিবার ১৬ আগস্ট সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আরডিএ চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদনপত্র জমা দেন।
আবেদনপত্রে বলা হয়, পদ্মা, পারিজাত, মহানন্দা ও চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকা এবং সংলগ্ন এলাকায় বর্তমানে দুই শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকার বাসিন্দারা ধর্মীয় উপাসনা, পূজা-পার্বণ ও অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য একটি স্থায়ী উপাসনালয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। তবে এলাকায় স্থায়ী কোনো মন্দির বা উপাসনালয় না থাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের।
আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে স্থায়ী উপাসনালয়ের জন্য আরডিএ চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করা হয়েছিল। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং সুযোগ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে বিবেচনা করা হবে।
আবাসিক পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়, পদ্মা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর রোডের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্নারে (রেলওয়ে স্থাপনা সংলগ্ন) একটি প্লট উপাসনালয়ের জন্য চিহ্নিত রয়েছে। এছাড়া পদ্মা আবাসিক পোস্ট অফিসের পেছনে শাখা জায়গাটিও তাদের নজরে রয়েছে।
আবেদনপত্রে বলা হয়, উল্লিখিত দুটি জায়গার যেকোনো একটিতে জমি বরাদ্দ দেওয়া হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে আবাসিক পূজা উদযাপন পরিষদ ভদ্রার সাধারণ সম্পাদক সুদীপ কুমার পোদ্দার ও সভাপতি কল্পনা সাহা আরডিএ চেয়ারম্যানের কাছে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :