রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর বাজারে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নেজামপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সকে এই জরিমানা করা হয়। নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াংকা দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ আকরাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিপুল পরিমাণ সার মজুদ করা হয়েছিল। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াংকা দাস জানান, এটি ওই ব্যবসায়ীর প্রথমবারের অনিয়ম হওয়ায় জরিমানার পাশাপাশি তাকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুদ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় অবৈধভাবে সার মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উপকরণের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় কৃষকেরা এই ব্যবসায়ির লাইসেন্স বাতিলের দাবি করেছেন।তারা বলেন,এই ব্যবসায়ি দীর্ঘদিন যাবত সার কালোবাজারি ও ভেজাল কীটনাশক বিক্রি করে আসছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নেজামপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সকে এই জরিমানা করা হয়। নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াংকা দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ আকরাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিপুল পরিমাণ সার মজুদ করা হয়েছিল। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াংকা দাস জানান, এটি ওই ব্যবসায়ীর প্রথমবারের অনিয়ম হওয়ায় জরিমানার পাশাপাশি তাকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে সার মজুদ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় অবৈধভাবে সার মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উপকরণের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় কৃষকেরা এই ব্যবসায়ির লাইসেন্স বাতিলের দাবি করেছেন।তারা বলেন,এই ব্যবসায়ি দীর্ঘদিন যাবত সার কালোবাজারি ও ভেজাল কীটনাশক বিক্রি করে আসছেন।
আলিফ হোসেন