মাদক একটি পরিবারকে যেমন ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, তেমনি একটি প্রজন্মের সম্ভাবনাকেও অন্ধকারে নিমজ্জিত করতে পারে।
মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও সচেতন নাগরিকদেরও সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। সেই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পুরোনো বাজাজ প্লাটিনা মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও এক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটের দিকে বালিয়াডাঙ্গী থানার একটি দল উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বেলতলা মাদরাসা বাজারসংলগ্ন তীরনই নদীর সেতুর পশ্চিম পাশে চেকপোস্ট বসায়। এ সময় নেকমরদ থেকে বালিয়াডাঙ্গীর দিকে আসা একটি মোটরসাইকেলে তিন আরোহীকে দেখে পুলিশ থামার সংকেত দেয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলটি ফেলে তিনজনই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর একজন পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন,বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী (সরকার বস্তি) এলাকার মৃত ঝরুয়া মোহাম্মদের ছেলে মো. আলিমদ্দীন (৪৫) এবং একই এলাকার মো. সুবাহান আলীর ছেলে মো. দর্শন আলী (৪০)। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে মোট ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পুরোনো বাজাজ প্লাটিনা ১০০ সিসি মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি ও পলাতক ব্যক্তির মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সংগ্রহ করে বালিয়াডাঙ্গীসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন,"মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।"
মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নষ্ট করে না—এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপরও। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ইতিবাচক সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন সমাজের সুধীমহল।
মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও সচেতন নাগরিকদেরও সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। সেই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পুরোনো বাজাজ প্লাটিনা মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও এক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটের দিকে বালিয়াডাঙ্গী থানার একটি দল উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বেলতলা মাদরাসা বাজারসংলগ্ন তীরনই নদীর সেতুর পশ্চিম পাশে চেকপোস্ট বসায়। এ সময় নেকমরদ থেকে বালিয়াডাঙ্গীর দিকে আসা একটি মোটরসাইকেলে তিন আরোহীকে দেখে পুলিশ থামার সংকেত দেয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলটি ফেলে তিনজনই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর একজন পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন,বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী (সরকার বস্তি) এলাকার মৃত ঝরুয়া মোহাম্মদের ছেলে মো. আলিমদ্দীন (৪৫) এবং একই এলাকার মো. সুবাহান আলীর ছেলে মো. দর্শন আলী (৪০)। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে মোট ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পুরোনো বাজাজ প্লাটিনা ১০০ সিসি মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি ও পলাতক ব্যক্তির মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সংগ্রহ করে বালিয়াডাঙ্গীসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন,"মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।"
মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নষ্ট করে না—এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপরও। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ইতিবাচক সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন সমাজের সুধীমহল।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি