মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রায় সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীকে। সরকারি অনুষ্ঠান থেকে সফর প্রেসিডেন্টের কাছাকাছিই থাকছেন তিনি। তার নাম নাটালি হার্প। আর এই ঘনিষ্ঠতা ঘিরেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়েছে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের গুঞ্জন।
এবার সেই আলোচনা নিয়ে ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কেমন, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন দাবি। তবে শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার ট্রাম্প ও হার্পের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ অবশ্য সামনে আসেনি। হোয়াইট হাউসও এ ধরনের আলোচনা ভিত্তিহীন গুজব বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আলোচনাটি নতুন করে সামনে আনেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ। গেলো রোববার এক বক্তব্যে তিনি ট্রাম্প ও হার্পকে নিয়ে রসিকতা করেন। তার বক্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি আক্রমণ। সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।
কে এই নাটালি হার্প?
ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্কের সাবেক উপস্থাপক হার্প কয়েক বছর ধরেই রয়েছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরিমণ্ডলে। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তাকে নির্বাহী সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেন ট্রাম্প।
২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে হার্পকে ‘হিউম্যান প্রিন্টার’ বা ‘মানব প্রিন্টার’ নামও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কারণ, তিনি সঙ্গে প্রিন্টার রাখতেন। ট্রাম্পের পছন্দ হতে পারে এমন সংবাদ দ্রুত প্রিন্ট করে পৌঁছে দিতেন তার কাছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার উপস্থিতি হয়েছে আরও দৃশ্যমান। আর একই সময়ে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে মেলানিয়ার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে নানা জল্পনাও। তবে মেলানিয়ার অনুপস্থিতি ও ট্রাম্প-হার্পকে ঘিরে গুঞ্জনের মধ্যে নেই সরাসরি কোনো সম্পর্কের প্রমাণ।
এই আলোচনায় মেলানিয়ার নাম সামনে এনেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর। তাদের প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বরাতে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্পের তীব্র প্রতিক্রিয়ার একটি কারণ হলো ফার্স্টলেডি এ ধরনের আলোচনা পছন্দ করেন না। অর্থাৎ মেলানিয়া নিজে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিয়েছেন এমন তথ্য নেই এখানে। তাঁর কথিত বিরক্তির বিষয়টিও একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের দাবি।
এদিকে অসফের বক্তব্যের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, হার্প প্রেসিডেন্টের দলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী সহকারীদের একজন। ওভাল অফিসে ট্রাম্পের কাছেও বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসফের সমালোচনা করেন। ফলে ট্রাম্প ও নাটালি হার্পের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা যতই বাড়ুক, এখন পর্যন্ত সেটি রয়েছে গুঞ্জনের পর্যায়েই আর মেলানিয়া এতে বিরক্ত এই দাবিও সরাসরি তাঁর কাছ থেকে নয়, এসেছে হোয়াইট হাউস-ঘনিষ্ঠ একটি বেনামি সূত্রের মাধ্যমে।
এবার সেই আলোচনা নিয়ে ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কেমন, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন দাবি। তবে শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার ট্রাম্প ও হার্পের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ অবশ্য সামনে আসেনি। হোয়াইট হাউসও এ ধরনের আলোচনা ভিত্তিহীন গুজব বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আলোচনাটি নতুন করে সামনে আনেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ। গেলো রোববার এক বক্তব্যে তিনি ট্রাম্প ও হার্পকে নিয়ে রসিকতা করেন। তার বক্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি আক্রমণ। সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।
কে এই নাটালি হার্প?
ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্কের সাবেক উপস্থাপক হার্প কয়েক বছর ধরেই রয়েছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরিমণ্ডলে। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তাকে নির্বাহী সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেন ট্রাম্প।
২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে হার্পকে ‘হিউম্যান প্রিন্টার’ বা ‘মানব প্রিন্টার’ নামও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কারণ, তিনি সঙ্গে প্রিন্টার রাখতেন। ট্রাম্পের পছন্দ হতে পারে এমন সংবাদ দ্রুত প্রিন্ট করে পৌঁছে দিতেন তার কাছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার উপস্থিতি হয়েছে আরও দৃশ্যমান। আর একই সময়ে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে মেলানিয়ার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে নানা জল্পনাও। তবে মেলানিয়ার অনুপস্থিতি ও ট্রাম্প-হার্পকে ঘিরে গুঞ্জনের মধ্যে নেই সরাসরি কোনো সম্পর্কের প্রমাণ।
এই আলোচনায় মেলানিয়ার নাম সামনে এনেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর। তাদের প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বরাতে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্পের তীব্র প্রতিক্রিয়ার একটি কারণ হলো ফার্স্টলেডি এ ধরনের আলোচনা পছন্দ করেন না। অর্থাৎ মেলানিয়া নিজে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিয়েছেন এমন তথ্য নেই এখানে। তাঁর কথিত বিরক্তির বিষয়টিও একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের দাবি।
এদিকে অসফের বক্তব্যের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, হার্প প্রেসিডেন্টের দলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী সহকারীদের একজন। ওভাল অফিসে ট্রাম্পের কাছেও বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসফের সমালোচনা করেন। ফলে ট্রাম্প ও নাটালি হার্পের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা যতই বাড়ুক, এখন পর্যন্ত সেটি রয়েছে গুঞ্জনের পর্যায়েই আর মেলানিয়া এতে বিরক্ত এই দাবিও সরাসরি তাঁর কাছ থেকে নয়, এসেছে হোয়াইট হাউস-ঘনিষ্ঠ একটি বেনামি সূত্রের মাধ্যমে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক