সাতক্ষীরা সদরে নিজের চাচাকে কুপিয়ে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে দুই ভাই।
শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে ভারতের বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার আমুদিয়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলদল তাদের আটক করে বলে সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কৃষক জিতেন মণ্ডল (৫৮) উপজেলার গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। অভিজুক্ত তপন মণ্ডল (৩০) ও ভবেন মণ্ডলকে (৩৫) একই গ্রামের পাঁচু মণ্ডলের ছেলে। অভিজুক্তরা নিহতের আপন ভাতিজা।
জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জিতেন মণ্ডলকে হত্যা করে তারা সাতক্ষীরার সদর উপজেলার চারাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে ভারতে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই রাতে তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, নিজেদের মধ্যে জমিজমা-সংক্রান্ত সহিংসতায় কৃষক জিতেন মণ্ডল চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তার হত্যাকারী তপন ও ভবেন ভারতে পালানোর সময় বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে। এ ব্যাপারে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের ফেরত পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, বিএসএফের আটক হত্যা মামলার দুই আসামিকে ফেরত দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে ভারতের বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার আমুদিয়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলদল তাদের আটক করে বলে সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কৃষক জিতেন মণ্ডল (৫৮) উপজেলার গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। অভিজুক্ত তপন মণ্ডল (৩০) ও ভবেন মণ্ডলকে (৩৫) একই গ্রামের পাঁচু মণ্ডলের ছেলে। অভিজুক্তরা নিহতের আপন ভাতিজা।
জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জিতেন মণ্ডলকে হত্যা করে তারা সাতক্ষীরার সদর উপজেলার চারাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে ভারতে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই রাতে তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, নিজেদের মধ্যে জমিজমা-সংক্রান্ত সহিংসতায় কৃষক জিতেন মণ্ডল চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তার হত্যাকারী তপন ও ভবেন ভারতে পালানোর সময় বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে। এ ব্যাপারে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের ফেরত পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, বিএসএফের আটক হত্যা মামলার দুই আসামিকে ফেরত দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক