বাঘায় এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার অভিযোগে খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ওই নারী কর্মচারীকেও আটক করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকালে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারীকে ডেকে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী নুরনাহার আক্তার মিলি থানায় গিয়ে তার স্বামীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।
খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুফিয়ান হোসেন বলেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বসে তাদের কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, আটক দুজনকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, দেলোয়ার হোসেন মনিগ্রাম বাজারের দক্ষিণপাড়ার কালাচাঁন ব্যাপারির ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মার মধ্যে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার চরের খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকালে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারীকে ডেকে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী নুরনাহার আক্তার মিলি থানায় গিয়ে তার স্বামীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।
খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুফিয়ান হোসেন বলেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বসে তাদের কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, আটক দুজনকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, দেলোয়ার হোসেন মনিগ্রাম বাজারের দক্ষিণপাড়ার কালাচাঁন ব্যাপারির ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মার মধ্যে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার চরের খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
প্রতিনিধি :