খুলনায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগরের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজ খাঁ (২৮) খুলনার দৌলতপুর পালপাড়া কোপার বিল হাসানখান রোডের কেরামত আলীর ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি খুলনার দৌলতপুরের একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুরগি দেখানোর কথা বলে আসামি সবুজ শিশুটিকে তার ঘরের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ভয় দেখানো হয়।
পরদিন শিশুটির মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারায় সবুজকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিবস কুমার মৃধা আদালতে আসামি সবুজ খাঁ’র বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেনের আদালতে আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরুর জন্য অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার বিচারকালে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ড দেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগরের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজ খাঁ (২৮) খুলনার দৌলতপুর পালপাড়া কোপার বিল হাসানখান রোডের কেরামত আলীর ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি খুলনার দৌলতপুরের একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুরগি দেখানোর কথা বলে আসামি সবুজ শিশুটিকে তার ঘরের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ভয় দেখানো হয়।
পরদিন শিশুটির মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারায় সবুজকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিবস কুমার মৃধা আদালতে আসামি সবুজ খাঁ’র বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেনের আদালতে আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরুর জন্য অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার বিচারকালে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ড দেন।
অনলাইন ডেস্ক