দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আসছি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জন্মভূমিতে তাঁর প্রথম আগমনকে ঘিরে সীমান্তঘেঁষা এই জেলায় এখন বইছে আনন্দের জোয়ার ও উৎসবের আমেজ। শহরে চলছে মাইকিং- চায়ের দোকানে আলোচনা।
রোববার ও সোমবার (৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের সরকারি সফরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করবেন। রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে সড়ক আলোকসজ্জা, বর্ণিল তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে শহর।
স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নাগরিক সংবর্ধনা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সফরের প্রথম দিন রোববার বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে রাষ্ট্রপতিকে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রিয় মানুষকে কাছ থেকে দেখতে ও বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।
ঠাকুরগাঁও নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির বলেন, আমাদের ঘরের সন্তান দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন—এটি ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে একটি স্মরণীয় ও জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সফরটি কেবল সংবর্ধনাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জেলাবাসীর জন্য নিয়ে আসছে বড় উপহার।
ইএসডিও নির্বাহী পরিচালক ড, শহিদুজাম্মান বলেন,মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বরণ করতে জেলা শহরে উৎসবের আমেজ বইছে, শহরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। এ জেলাকে এবার পৃথিবী দেখবে এবং চিনবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক নিশ্চিত করেছেন যে, সফরকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বহুল কাঙ্ক্ষিত ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। জেলাজুড়ে শিক্ষানুরাগী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এ নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে ঠাকুরগাঁও শহরজুড়ে গ্রহণ করা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভিভিআইপি মুভমেন্টের পথ ও অনুষ্ঠানস্থলে গড়ে তোলা হয়েছে বহুমাত্রিক নিরাপত্তাবলয় এবং স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারি।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের ত্রি-মাত্রিক নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছে।
একসময়ের চেনা রাজপথ ও চেনা মানুষগুলো আজ তাঁদের প্রিয় সন্তানকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অভ্যর্থনা জানাতে প্রহর গুনছে। গর্ব, আবেগ আর ভালোবাসার মেলাবন্ধনে ঠাকুরগাঁওবাসী এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
রোববার ও সোমবার (৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের সরকারি সফরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করবেন। রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে সড়ক আলোকসজ্জা, বর্ণিল তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে শহর।
স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নাগরিক সংবর্ধনা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সফরের প্রথম দিন রোববার বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে রাষ্ট্রপতিকে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রিয় মানুষকে কাছ থেকে দেখতে ও বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।
ঠাকুরগাঁও নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির বলেন, আমাদের ঘরের সন্তান দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন—এটি ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জেলাবাসীর পক্ষ থেকে একটি স্মরণীয় ও জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সফরটি কেবল সংবর্ধনাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জেলাবাসীর জন্য নিয়ে আসছে বড় উপহার।
ইএসডিও নির্বাহী পরিচালক ড, শহিদুজাম্মান বলেন,মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বরণ করতে জেলা শহরে উৎসবের আমেজ বইছে, শহরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। এ জেলাকে এবার পৃথিবী দেখবে এবং চিনবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক নিশ্চিত করেছেন যে, সফরকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বহুল কাঙ্ক্ষিত ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। জেলাজুড়ে শিক্ষানুরাগী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এ নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে ঠাকুরগাঁও শহরজুড়ে গ্রহণ করা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভিভিআইপি মুভমেন্টের পথ ও অনুষ্ঠানস্থলে গড়ে তোলা হয়েছে বহুমাত্রিক নিরাপত্তাবলয় এবং স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারি।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের ত্রি-মাত্রিক নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছে।
একসময়ের চেনা রাজপথ ও চেনা মানুষগুলো আজ তাঁদের প্রিয় সন্তানকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অভ্যর্থনা জানাতে প্রহর গুনছে। গর্ব, আবেগ আর ভালোবাসার মেলাবন্ধনে ঠাকুরগাঁওবাসী এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: