রাজশাহী মহানগরীতে একযুগ আগের বিরোধের জেরে উজ্জ্বল ও অনিক নামের দুই যুবককে কুপিয়ে রক্তাত্ব জখম করেছে তুহিন নামের এক যুবক। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সিটি হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাঁদের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
আহতরা হলেন- উজ্জ্বল হোসেন (৩২), সে বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড় এলাকার মৃত আসলাম হোসেনের ছেলে ও অনিক হোসেন (৩২) সে একই এলাকার মৃত মুকুল হোসেন এর ছেলে। মো: উজ্জ্বল হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ও ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হানিফের ভাতিজা বলেও জানা যায়।
হামলাকারী তুহিন হোসেন (২৮), নগরীর রাণীনগর (পানির ট্যাংকি) এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমা মুস্তারিকে কল দিলেও তিনি ফোনটি কেটে দেন। বিধায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ২জন যুবক জুরুরি বিভাগে গুরুত্বর রক্তাত্ব অবস্থায় ভর্তি হয়। বর্তমানে তারা উভয়ে সুস্থ আছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনিক হোসেন জানান, প্রায় ১২ বছর আগে ক্যারামবোর্ড খেলাকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে একটি ঝামেলা হয়েছিল। সেই পুরোনো বিরোধের জের ধরেই মঙ্গলবার তাঁদের ওপর আকস্মিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
আহত উজ্জ্বল বলেন, হামলাকারী তুহিন আওয়ামী দোসর সে বিগত দিনে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, বর্তমানে সে নিজেকে বিএনপি’র কর্মী বলে পরিচয় দিচ্ছে। তার সাথে প্রায় ১২-১৩ বছর আগে বিরোধ ছিল, আজ তারা আমাদের ওপর এই হামলা চালায়। তারা প্রায় ৬-৭জন ছিল। আমরা তাদের নাম জানি না, তবে দেখলে চিনতে পারব।
প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন আহত হন। পরে তাঁদের রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁদের হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ, কারা জড়িত এবং ঘটনার সময় ঠিক কী ঘটেছিলÑএসব বিষয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে স্পষ্ট হবে।
আহতরা হলেন- উজ্জ্বল হোসেন (৩২), সে বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড় এলাকার মৃত আসলাম হোসেনের ছেলে ও অনিক হোসেন (৩২) সে একই এলাকার মৃত মুকুল হোসেন এর ছেলে। মো: উজ্জ্বল হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ও ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হানিফের ভাতিজা বলেও জানা যায়।
হামলাকারী তুহিন হোসেন (২৮), নগরীর রাণীনগর (পানির ট্যাংকি) এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমা মুস্তারিকে কল দিলেও তিনি ফোনটি কেটে দেন। বিধায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ২জন যুবক জুরুরি বিভাগে গুরুত্বর রক্তাত্ব অবস্থায় ভর্তি হয়। বর্তমানে তারা উভয়ে সুস্থ আছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনিক হোসেন জানান, প্রায় ১২ বছর আগে ক্যারামবোর্ড খেলাকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে একটি ঝামেলা হয়েছিল। সেই পুরোনো বিরোধের জের ধরেই মঙ্গলবার তাঁদের ওপর আকস্মিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
আহত উজ্জ্বল বলেন, হামলাকারী তুহিন আওয়ামী দোসর সে বিগত দিনে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, বর্তমানে সে নিজেকে বিএনপি’র কর্মী বলে পরিচয় দিচ্ছে। তার সাথে প্রায় ১২-১৩ বছর আগে বিরোধ ছিল, আজ তারা আমাদের ওপর এই হামলা চালায়। তারা প্রায় ৬-৭জন ছিল। আমরা তাদের নাম জানি না, তবে দেখলে চিনতে পারব।
প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন আহত হন। পরে তাঁদের রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁদের হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ, কারা জড়িত এবং ঘটনার সময় ঠিক কী ঘটেছিলÑএসব বিষয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে স্পষ্ট হবে।
ইব্রাহীম হোসেন সম্রাট