চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বিরোধ মীমাংসার জন্য আয়োজিত বৈঠকে ছুরিকাঘাতে হামিম (১৯) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রোহান উদ্দিন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিম উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোলতান সওদাগরের বাড়ি এলাকার মোহাম্মদ ফরিদের ছেলে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হওয়া রোহান উদ্দিন একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছৈয়াদাবাদ কাজিরখীল এলাকার ওসমান গনির ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকার দ্বিতীয় তলায় চায়ের দোকানে একটি বিরোধ মীমাংসার জন্য কয়েকজন জড়ো হয়েছিল। একপর্যায়ে সেখানে হামিম ও রোহনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এ সময় রোহান ছুরি দিয়ে হামিমের পেটে আঘাত করে। পরে রোহান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করেন এবং পুলিশে সোপর্দ করেন।
ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হামিমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মামা মো. মহিউদ্দিন বলেন, রাতে কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকায় একটি বৈঠকে হামিমকে একজন ছুরিকাঘাত করলে হাসপাতালে আমার ভাগিনা মারা যায়। লোকজন ঘটনায় জড়িত রোহানকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিম উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোলতান সওদাগরের বাড়ি এলাকার মোহাম্মদ ফরিদের ছেলে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হওয়া রোহান উদ্দিন একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছৈয়াদাবাদ কাজিরখীল এলাকার ওসমান গনির ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকার দ্বিতীয় তলায় চায়ের দোকানে একটি বিরোধ মীমাংসার জন্য কয়েকজন জড়ো হয়েছিল। একপর্যায়ে সেখানে হামিম ও রোহনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এ সময় রোহান ছুরি দিয়ে হামিমের পেটে আঘাত করে। পরে রোহান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করেন এবং পুলিশে সোপর্দ করেন।
ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হামিমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মামা মো. মহিউদ্দিন বলেন, রাতে কেরানিহাট সিটি সেন্টার এলাকায় একটি বৈঠকে হামিমকে একজন ছুরিকাঘাত করলে হাসপাতালে আমার ভাগিনা মারা যায়। লোকজন ঘটনায় জড়িত রোহানকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক