ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সার উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সারের মোট পরিমাণ ২০ বস্তা, যা নিয়ে এলাকায় দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্য ও নানা প্রশ্ন। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার রাতোর ইউনিয়নাধীন ফুটানি টাউন বাজার এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সারগুলো জব্দ করে থানা পুলিশ।
জানা যায়, একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন—বাজারের ওই পরিত্যক্ত ঘরে স্তূপ করে রাখা রয়েছে ২০ বস্তা রাসায়নিক সার। খবরটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তা নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেন। এরই মধ্যে ভেলাই আটকরা গ্রামের কৃষক মহসিন আলী দাবি করে বসেন, সারগুলো তাঁর নিজের। কিন্তু ঘটনাস্থলেই মালিকানার পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয় সন্দেহ ও কৌতূহল। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে জানান। তিনি ঘটনাস্থলের বাইরে অবস্থান করায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাশের নেকমরদ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নির্দেশে এসআই সবুজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পুলিশ পরিত্যক্ত ঘর থেকে সারগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। কৃষক মহসিন আলী দাবি করেন, তাঁর বাবা, ভাই ও নিজের কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্ড ব্যবহার করে সখের টাউন বাজারের আঁখি ট্রেডার্স ও লাকী ট্রেডার্স থেকে তিনি এসব সার সংগ্রহ করেছেন। লাকী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজের ছেলের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মহসিন আলী তাঁর দোকান থেকে ৭ বস্তা সার উত্তোলন করেছেন। দুপুর ১টার দিকে মহসিন আলীর আনা ভ্যানে ওই ৭ বস্তা সার তিনি নিজেই তুলে দিয়েছেন বলেও জানান। তবে পরিত্যক্ত ঘর থেকে জব্দ করা সারগুলো তাঁর গোডাউনের নয় বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে আঁখি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আইনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
রাণীশংকৈল উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফুটানি টাউন বাজারের একটি গোডাউন থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা পটাশ, ৪ বস্তা টিএসপি ও ৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। পরে সারগুলো থানা হেফাজতে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, জব্দ করা সারগুলোর বৈধ মালিকানা কেউ দাবি করলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সেগুলো গ্রহণ করতে পারবেন।
জানা যায়, একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন—বাজারের ওই পরিত্যক্ত ঘরে স্তূপ করে রাখা রয়েছে ২০ বস্তা রাসায়নিক সার। খবরটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তা নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেন। এরই মধ্যে ভেলাই আটকরা গ্রামের কৃষক মহসিন আলী দাবি করে বসেন, সারগুলো তাঁর নিজের। কিন্তু ঘটনাস্থলেই মালিকানার পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয় সন্দেহ ও কৌতূহল। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে জানান। তিনি ঘটনাস্থলের বাইরে অবস্থান করায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাশের নেকমরদ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নির্দেশে এসআই সবুজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পুলিশ পরিত্যক্ত ঘর থেকে সারগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। কৃষক মহসিন আলী দাবি করেন, তাঁর বাবা, ভাই ও নিজের কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্ড ব্যবহার করে সখের টাউন বাজারের আঁখি ট্রেডার্স ও লাকী ট্রেডার্স থেকে তিনি এসব সার সংগ্রহ করেছেন। লাকী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজের ছেলের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মহসিন আলী তাঁর দোকান থেকে ৭ বস্তা সার উত্তোলন করেছেন। দুপুর ১টার দিকে মহসিন আলীর আনা ভ্যানে ওই ৭ বস্তা সার তিনি নিজেই তুলে দিয়েছেন বলেও জানান। তবে পরিত্যক্ত ঘর থেকে জব্দ করা সারগুলো তাঁর গোডাউনের নয় বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে আঁখি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আইনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
রাণীশংকৈল উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফুটানি টাউন বাজারের একটি গোডাউন থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা পটাশ, ৪ বস্তা টিএসপি ও ৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। পরে সারগুলো থানা হেফাজতে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, জব্দ করা সারগুলোর বৈধ মালিকানা কেউ দাবি করলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সেগুলো গ্রহণ করতে পারবেন।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি