মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মাদরাসার আবাসিকে থাকা ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. হাসানুল শেখ নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা ও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিন শেখের বিরুদ্ধে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ তাজপুর এলাকার তাজপুর মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, রোববার রাতে ওই ছাত্রকে শিক্ষক মো. হাসানুল একটি কক্ষে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায় ওই ছাত্র। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, তার ছেলে তাজপুর মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। রাতে শিক্ষক হাসানুল শেখ তাকে ডেকে একটি কক্ষে নিয়ে খারাপ কাজের চেষ্টা করেন বলে ছেলে তাকে জানিয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানান।
এদিকে, বিষয়টি জানার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিন শেখ স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগটি মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আইনি তদন্ত প্রয়োজন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. হাসানুল শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিন শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে একটি বিচার নিয়ে ব্যস্ত আছেন পরে ফোন করবেন বলে জানান।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূম্পা ঘোষ জানান, বিষয়টি সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ তাজপুর এলাকার তাজপুর মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, রোববার রাতে ওই ছাত্রকে শিক্ষক মো. হাসানুল একটি কক্ষে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায় ওই ছাত্র। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, তার ছেলে তাজপুর মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। রাতে শিক্ষক হাসানুল শেখ তাকে ডেকে একটি কক্ষে নিয়ে খারাপ কাজের চেষ্টা করেন বলে ছেলে তাকে জানিয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানান।
এদিকে, বিষয়টি জানার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিন শেখ স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগটি মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও আইনি তদন্ত প্রয়োজন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. হাসানুল শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিন শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে একটি বিচার নিয়ে ব্যস্ত আছেন পরে ফোন করবেন বলে জানান।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূম্পা ঘোষ জানান, বিষয়টি সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক