ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে বাড়ির সামনে মদপানে বাধা দেওয়ায় ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। পরে মরদেহ বাড়ির পেছনের ঝোপে ফেলে পালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। দুই দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
অভিযুক্ত দুই যুবক হলেন রাজেশ গুড্ডু ও হরিরাম রাওয়াত। বৃদ্ধার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই এলাকায় প্রায়ই মদ্যপ ব্যক্তিদের আনাগোনা ছিল। ঘটনার রাতে রাজেশ ও হরিরাম বৃদ্ধার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মদ পান করছিলেন। এ সময় তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাড়ির সামনে এমন পরিস্থিতিতে আপত্তি জানান ওই বৃদ্ধা। তিনি দুই যুবককে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। তবে তার কথায় কর্ণপাত না করে তারা সেখানেই মদ্যপান করতে থাকেন। পরে বৃদ্ধা আবারও বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বচসা ও গালিগালাজের ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে দুই যুবক জোর করে বৃদ্ধার বাড়িতে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পেছনের দিকে নিয়ে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে রাজেশ ও হরিরামকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। দুই দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
অভিযুক্ত দুই যুবক হলেন রাজেশ গুড্ডু ও হরিরাম রাওয়াত। বৃদ্ধার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই এলাকায় প্রায়ই মদ্যপ ব্যক্তিদের আনাগোনা ছিল। ঘটনার রাতে রাজেশ ও হরিরাম বৃদ্ধার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মদ পান করছিলেন। এ সময় তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাড়ির সামনে এমন পরিস্থিতিতে আপত্তি জানান ওই বৃদ্ধা। তিনি দুই যুবককে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। তবে তার কথায় কর্ণপাত না করে তারা সেখানেই মদ্যপান করতে থাকেন। পরে বৃদ্ধা আবারও বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বচসা ও গালিগালাজের ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে দুই যুবক জোর করে বৃদ্ধার বাড়িতে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পেছনের দিকে নিয়ে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে রাজেশ ও হরিরামকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক