কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ছুরি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামাল উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী পেশায় নৈশপ্রহরী। গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি কর্মস্থলে চলে গেলে ওই নারী দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাইরে থেকে ঘরে ফেরার সময় দরজার আড়ালে ওত পেতে থাকা তার ভাশুর জামাল উদ্দিন তাকে জাপটে ধরেন।
এ সময় জামাল উদ্দিন ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুই সন্তান জেগে উঠে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তখন জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপর ভুক্তভোগী নারী আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মামলা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। এর আগেও ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বিভিন্ন স্থানে একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার আটকের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ১ অক্টোবর ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী পেশায় নৈশপ্রহরী। গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি কর্মস্থলে চলে গেলে ওই নারী দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাইরে থেকে ঘরে ফেরার সময় দরজার আড়ালে ওত পেতে থাকা তার ভাশুর জামাল উদ্দিন তাকে জাপটে ধরেন।
এ সময় জামাল উদ্দিন ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুই সন্তান জেগে উঠে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তখন জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপর ভুক্তভোগী নারী আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মামলা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। এর আগেও ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বিভিন্ন স্থানে একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার আটকের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক