ঢাকার মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ক্লাব কাপ ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ দারুণ সাফল্য পেয়েছে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়ে দলটি ৬টি স্বর্ণ, ৭টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৫টি পদক জিতেছে।
মোহাম্মদপুর তায়কোয়ানডো ক্লাবের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় রাজশাহীর নারী অ্যাথলেটরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখান। জুনিয়র কিওরোগি (-৪৬ কেজি) ও জুনিয়র পুমসে (১৪–১৭ বছর) বিভাগে দুটি স্বর্ণপদক জেতেন মারিন আশরাফি। জুনিয়র পুমসে (৯–১২ বছর) বিভাগে স্বর্ণ পান আনিকা।
নারী বিভাগে রৌপ্য জেতেন ইরা, আনিকা ও জাফরিন জারা। জুনিয়র পুমসে বিভাগে ব্রোঞ্জ পান মৌনিয়া।
পুরুষ বিভাগেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে রাজশাহীর খেলোয়াড়রা। স্বর্ণ জেতেন মোঃ ইমতিয়াজ আলী, প্রিন্স আদনান এবং ১৪–১৭ বছর কিওরোগি (-৪৮ কেজি) বিভাগের এক প্রতিযোগী। রৌপ্য পান তাহসিন ও প্রিন্স আদনান। জুনিয়র পুমসে বিভাগে ব্রোঞ্জ জেতেন জয়নব।
প্রতিযোগিতায় রেফারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের চারজন। তাঁরা হলেন মুমিত হাসান ব্রাইট, মো. আশিক মাহমুদ, শ্রাবন্তী ইসলাম বর্ষা ও মোঃ ইহতেশামুল আলম। তাঁদের মধ্যে মুমিত হাসান ব্রাইট আন্তর্জাতিক চতুর্থ ড্যান এবং অন্যরা আন্তর্জাতিক ব্ল্যাকবেল্টধারী।
জাতীয় পর্যায়ের এই সাফল্য রাজশাহীর তায়কোয়ানডো অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ অর্জন তরুণ খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
মোহাম্মদপুর তায়কোয়ানডো ক্লাবের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় রাজশাহীর নারী অ্যাথলেটরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখান। জুনিয়র কিওরোগি (-৪৬ কেজি) ও জুনিয়র পুমসে (১৪–১৭ বছর) বিভাগে দুটি স্বর্ণপদক জেতেন মারিন আশরাফি। জুনিয়র পুমসে (৯–১২ বছর) বিভাগে স্বর্ণ পান আনিকা।
নারী বিভাগে রৌপ্য জেতেন ইরা, আনিকা ও জাফরিন জারা। জুনিয়র পুমসে বিভাগে ব্রোঞ্জ পান মৌনিয়া।
পুরুষ বিভাগেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে রাজশাহীর খেলোয়াড়রা। স্বর্ণ জেতেন মোঃ ইমতিয়াজ আলী, প্রিন্স আদনান এবং ১৪–১৭ বছর কিওরোগি (-৪৮ কেজি) বিভাগের এক প্রতিযোগী। রৌপ্য পান তাহসিন ও প্রিন্স আদনান। জুনিয়র পুমসে বিভাগে ব্রোঞ্জ জেতেন জয়নব।
প্রতিযোগিতায় রেফারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের চারজন। তাঁরা হলেন মুমিত হাসান ব্রাইট, মো. আশিক মাহমুদ, শ্রাবন্তী ইসলাম বর্ষা ও মোঃ ইহতেশামুল আলম। তাঁদের মধ্যে মুমিত হাসান ব্রাইট আন্তর্জাতিক চতুর্থ ড্যান এবং অন্যরা আন্তর্জাতিক ব্ল্যাকবেল্টধারী।
জাতীয় পর্যায়ের এই সাফল্য রাজশাহীর তায়কোয়ানডো অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ অর্জন তরুণ খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :