রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) রাজপাড়া ও পবা থানা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজনকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে এবং দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট, হেরোইন ও গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ লক্ষ্মীপুর প্যারামেডিকেল রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত আক্তারুজ্জামানের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে মিতুল (৩৭)-কে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। মিতুলের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এদিকে, গত ৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে পবা থানা পুলিশ পশ্চিম পুঠিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. গণি আমিনের স্ত্রী মোসা. মিরা খাতুন (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার বসতবাড়ি তল্লাশি করে ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরা খাতুনের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় মোট ১৪টি মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পবা থানা পুলিশ মদনহাটি দক্ষিণপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় পূর্ব পুঠিয়াপাড়া গ্রামের মৃত অজিত রঞ্জন সাহার ছেলে শ্রী মিঠুন সরকার (৪১) এবং বাগধানী গ্রামের আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মান্নাফ হোসেন (১৭) (ছদ্মনাম)-কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ৩ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বিদিরপুর বকপাড়া গ্রামের মৃত জহির স্বর্ণকারের ছেলে মো. ছদের আলী (৭৫)-এর বসতবাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার বাড়ি তল্লাশি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১১৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ লক্ষ্মীপুর প্যারামেডিকেল রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত আক্তারুজ্জামানের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে মিতুল (৩৭)-কে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। মিতুলের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এদিকে, গত ৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে পবা থানা পুলিশ পশ্চিম পুঠিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. গণি আমিনের স্ত্রী মোসা. মিরা খাতুন (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার বসতবাড়ি তল্লাশি করে ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরা খাতুনের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় মোট ১৪টি মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পবা থানা পুলিশ মদনহাটি দক্ষিণপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় পূর্ব পুঠিয়াপাড়া গ্রামের মৃত অজিত রঞ্জন সাহার ছেলে শ্রী মিঠুন সরকার (৪১) এবং বাগধানী গ্রামের আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মান্নাফ হোসেন (১৭) (ছদ্মনাম)-কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ৩ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বিদিরপুর বকপাড়া গ্রামের মৃত জহির স্বর্ণকারের ছেলে মো. ছদের আলী (৭৫)-এর বসতবাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার বাড়ি তল্লাশি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১১৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :