স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়ছেই। এই ক্যানসারের লক্ষণ ও নিরাময়ের নানা উপায়ের খোঁজ চলছে। স্তন ক্যানসারের নানা ধরন আছে। তার মধ্য একটি নিয়ে ইদানীং আলোচনা বেশি। সেটি হল ‘মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার’। এটি স্তন ক্যানসারের জটিল রূপ, যা সেরে গেলেও বারে বারে ফিরে আসতে পারে। তাই ক্যানসারের এই বিশেষ প্রকার নিয়ে চিন্তিত চিকিৎসকেরাও।
ক্যানসার নিরাময়ের পর প্রথম পাঁচ বছর পর্যন্ত রোগটি ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না। কিন্তু ফিরে যে আসবে না, তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। ক্যানসার ফিরে আসা অনেকটাই নির্ভর করে পারিবারিক ইতিহাসের উপর। এই পুনরাবৃত্তিরও আবার রকমফের আছে। চিকিৎসক মল্লিনাথ মুখোপাধ্যায়ের মতে, মেটাস্ট্যাটিক ক্যানসার হলে তা সেরে যাওয়ার পাঁচ বছর পরে আবারও ফিরে আসতে পারে। তিন জায়গায় তা আবারও হতে পারে— ১) যে জায়গায় ক্যানসার হয়েছিল, সেখানেই, ২) আগে যেখানে ক্যানসার হয়েছিল তার সংলগ্ন জায়গায় এবং ৩) শরীরের অন্যান্য অন্যান্য অঙ্গে।
মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসারকে ‘স্টেজ ৪’ ক্যানসারও বলা হয়। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হল, ক্যানসার কোষগুলি রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে শরীরের অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানে টিউমার তৈরি করে। যেমন, হাড়ে, ফুসফুসে, লিভারে এমনকি মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়তে পারে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা বলছেন, দেশে প্রায় ৫ থেকে ২৫ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ক্যানসার শনাক্তকরণের সময়ই তা মেটাস্ট্যাটিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ফলে তা নিরাময়ের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে আসে।
কী কী লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?
স্তন থেকে ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে যন্ত্রণা, অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা ফোলা ভাব, হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেবে।
লিভারে ছড়ালে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পেটে অস্বস্তি, অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা, মুখ-চোখ ফুলে ওঠা, ঘন ঘন জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দেবে।
ফুসফুসে ক্যানসার ছড়ালে ক্রমাগত কাশি, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হবে।
মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার। তেমনটা যদি হয়, তা হলে স্নায়ুজনিত সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। কোনও ঘটনা ভুলে যাওয়া, মাথা যন্ত্রণা করা, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ক্যানসার নিরাময়ের পর প্রথম পাঁচ বছর পর্যন্ত রোগটি ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না। কিন্তু ফিরে যে আসবে না, তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। ক্যানসার ফিরে আসা অনেকটাই নির্ভর করে পারিবারিক ইতিহাসের উপর। এই পুনরাবৃত্তিরও আবার রকমফের আছে। চিকিৎসক মল্লিনাথ মুখোপাধ্যায়ের মতে, মেটাস্ট্যাটিক ক্যানসার হলে তা সেরে যাওয়ার পাঁচ বছর পরে আবারও ফিরে আসতে পারে। তিন জায়গায় তা আবারও হতে পারে— ১) যে জায়গায় ক্যানসার হয়েছিল, সেখানেই, ২) আগে যেখানে ক্যানসার হয়েছিল তার সংলগ্ন জায়গায় এবং ৩) শরীরের অন্যান্য অন্যান্য অঙ্গে।
মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসারকে ‘স্টেজ ৪’ ক্যানসারও বলা হয়। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হল, ক্যানসার কোষগুলি রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে শরীরের অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানে টিউমার তৈরি করে। যেমন, হাড়ে, ফুসফুসে, লিভারে এমনকি মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়তে পারে ক্যানসার। চিকিৎসকেরা বলছেন, দেশে প্রায় ৫ থেকে ২৫ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ক্যানসার শনাক্তকরণের সময়ই তা মেটাস্ট্যাটিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ফলে তা নিরাময়ের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে আসে।
কী কী লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?
স্তন থেকে ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে যন্ত্রণা, অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা ফোলা ভাব, হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেবে।
লিভারে ছড়ালে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পেটে অস্বস্তি, অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা, মুখ-চোখ ফুলে ওঠা, ঘন ঘন জন্ডিসের লক্ষণ দেখা দেবে।
ফুসফুসে ক্যানসার ছড়ালে ক্রমাগত কাশি, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হবে।
মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার। তেমনটা যদি হয়, তা হলে স্নায়ুজনিত সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। কোনও ঘটনা ভুলে যাওয়া, মাথা যন্ত্রণা করা, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ফারহানা জেরিন