কুমিল্লা নগরীতে আবু কাউছার (৪৩) নামে এক যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নগরীর গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আবু কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসভাপতি কবির হোসেনের ছোট ভাই। তাদের বাড়ি নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাউছার জমি কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শুক্রবার সকালে বন্ধু শামীমের কেনা জমি দেখতে গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় যান তিনি। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে তার ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, যুবদল নেতা কাউছারকে নৃশংসভাবে হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা দেখা দেয়। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নগরীর গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আবু কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসভাপতি কবির হোসেনের ছোট ভাই। তাদের বাড়ি নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাউছার জমি কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শুক্রবার সকালে বন্ধু শামীমের কেনা জমি দেখতে গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় যান তিনি। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে তার ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, যুবদল নেতা কাউছারকে নৃশংসভাবে হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা দেখা দেয়। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক