বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগনের মুম্বইয়ের জুহুর বাংলোর একটি অংশ ভেঙে দিল বৃহন্মুম্বই পুরসভা (বিএমসি)। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে কয়েক দিন আগে সেখানে ‘স্টপ-ওয়ার্ক’ নোটিস (কাজ বন্ধের নির্দেশ) জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চলতে থাকায় শুক্রবার অভিযান চালায় পুরসভা। ৭,৮০২ বর্গফুটের বাংলোটি জুহুর কাপোলে কো-অপারেটিভ হাউজ়িং সোসাইটিতে অবস্থিত।
বৃহন্মুম্বই পুরসভার দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই বাংলোর ভিতরে একাধিক পরিবর্তনের কাজ চলছিল। এর মধ্যে ছিল অভ্যন্তরীণ রদবদল, পার্টিশন ওয়াল নির্মাণ, জানালার কাঠামোয় পরিবর্তন এবং অন্যান্য নির্মাণকাজ। এই অভিযোগে গত ১০ সেপ্টেম্বর মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইনের ৩৫৪এ ধারায় নোটিস দিয়ে অবিলম্বে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ, নোটিসের পরেও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি।
শুক্রবার পুরসভার আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলেন। ঘটনাস্থলের ভিডিয়োয় দেখা যায়, হাতুড়ি দিয়ে নির্মিত অংশ ভাঙছেন বিএমসির কর্মীরা। ওই বাংলোয় একটি সালোঁ ও স্পা-এর নির্মাণকাজ চলছিল বলে খবর।
সেপ্টেম্বরের শেষে কাজ বন্ধের নোটিস পাঠানোর পরে স্থানীয় কর্পোরেটর সুধা সিংহ জানিয়েছিলেন, বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ‘বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরি ডিপার্টমেন্ট’-এর আধিকারিকেরা দেখতে পান, ওই সম্পত্তিতে প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি পেশ করা হয়নি। এর পর সম্পত্তির মালিকদের কাছে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা না পড়ায় শেষ পর্যন্ত কাজ বন্ধের নোটিস জারি করা হয়েছিল পুরসভার তরফে। জবাব দেওয়ার জন্য দেবগন পরিবার চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।
নির্দিষ্ট ওই বাংলোটিকে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়েই মূলত আপত্তি ওঠে। আবাসন সমিতির আপত্তি সম্পত্তিটি লিজ়ে দেওয়া নিয়ে নয়, বরং সেটিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে ব্যবহার করা নিয়েই বলে জানা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সালোঁ ও স্পা চালু হলে এলাকায় গ্রাহকদের যাতায়াত বাড়বে। এর ফলে পার্কিং, নিরাপত্তা এবং শব্দদূষণ নিয়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সরু রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহন ও মানুষের যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। তবে সেই সময়ে অভিনেতার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করে, “সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং অনুমোদন যথাযথ ভাবেই নেওয়া হয়েছে।” তার পরেও বাংলোর নবনির্মিত অংশ ভাঙল পুরসভা।
বৃহন্মুম্বই পুরসভার দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই বাংলোর ভিতরে একাধিক পরিবর্তনের কাজ চলছিল। এর মধ্যে ছিল অভ্যন্তরীণ রদবদল, পার্টিশন ওয়াল নির্মাণ, জানালার কাঠামোয় পরিবর্তন এবং অন্যান্য নির্মাণকাজ। এই অভিযোগে গত ১০ সেপ্টেম্বর মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইনের ৩৫৪এ ধারায় নোটিস দিয়ে অবিলম্বে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ, নোটিসের পরেও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি।
শুক্রবার পুরসভার আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলেন। ঘটনাস্থলের ভিডিয়োয় দেখা যায়, হাতুড়ি দিয়ে নির্মিত অংশ ভাঙছেন বিএমসির কর্মীরা। ওই বাংলোয় একটি সালোঁ ও স্পা-এর নির্মাণকাজ চলছিল বলে খবর।
সেপ্টেম্বরের শেষে কাজ বন্ধের নোটিস পাঠানোর পরে স্থানীয় কর্পোরেটর সুধা সিংহ জানিয়েছিলেন, বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ‘বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরি ডিপার্টমেন্ট’-এর আধিকারিকেরা দেখতে পান, ওই সম্পত্তিতে প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি পেশ করা হয়নি। এর পর সম্পত্তির মালিকদের কাছে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা না পড়ায় শেষ পর্যন্ত কাজ বন্ধের নোটিস জারি করা হয়েছিল পুরসভার তরফে। জবাব দেওয়ার জন্য দেবগন পরিবার চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।
নির্দিষ্ট ওই বাংলোটিকে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়েই মূলত আপত্তি ওঠে। আবাসন সমিতির আপত্তি সম্পত্তিটি লিজ়ে দেওয়া নিয়ে নয়, বরং সেটিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে ব্যবহার করা নিয়েই বলে জানা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সালোঁ ও স্পা চালু হলে এলাকায় গ্রাহকদের যাতায়াত বাড়বে। এর ফলে পার্কিং, নিরাপত্তা এবং শব্দদূষণ নিয়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সরু রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহন ও মানুষের যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। তবে সেই সময়ে অভিনেতার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করে, “সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং অনুমোদন যথাযথ ভাবেই নেওয়া হয়েছে।” তার পরেও বাংলোর নবনির্মিত অংশ ভাঙল পুরসভা।
তামান্না হাবিব নিশু