রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে প্রত্যাহারের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহী সফর করেন। তাঁর সফর শেষে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, রাত ১১টার মধ্যে ইউসুফ আলীকে দায়িত্ব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) রেজাউল আলম সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে রাজশাহী ত্যাগ করেন।
এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে বিমানবন্দরে প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় তিনি অন্য হাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন বলে ভিডিও দেখে ধারণা করা হচ্ছে। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে লাইনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন।
ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারের আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
বুধবার সকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী ফেসবুকে লেখেন, প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার!
তবে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের সরকারি প্রজ্ঞাপনে ভিডিওতে দেখা ঘটনার কোনো উল্লেখ নেই। ফলে ভিডিওর ঘটনা এবং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউসুফ আলীর সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট রাজশাহীর তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই দিনে ইউসুফ আলীকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দুই মাসের মাথায় তাঁকেও প্রত্যাহার করা হলো।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে প্রত্যাহারের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহী সফর করেন। তাঁর সফর শেষে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, রাত ১১টার মধ্যে ইউসুফ আলীকে দায়িত্ব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) রেজাউল আলম সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে রাজশাহী ত্যাগ করেন।
এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে বিমানবন্দরে প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় তিনি অন্য হাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন বলে ভিডিও দেখে ধারণা করা হচ্ছে। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে লাইনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন।
ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারের আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
বুধবার সকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী ফেসবুকে লেখেন, প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার!
তবে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের সরকারি প্রজ্ঞাপনে ভিডিওতে দেখা ঘটনার কোনো উল্লেখ নেই। ফলে ভিডিওর ঘটনা এবং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউসুফ আলীর সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট রাজশাহীর তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই দিনে ইউসুফ আলীকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দুই মাসের মাথায় তাঁকেও প্রত্যাহার করা হলো।
নিজস্ব প্রতিবেদক