মুখের সৌন্দর্যের জন্য তো কত কিছুই করা হয়। ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িং। তার পরে ফেশিয়াল তো আছেই। নিয়মিত গোটা শরীরের স্পা-ও করান অভিনেত্রীরা। তবে তার চেয়েও বেশি কার্যকর সনা বাথ কিংবা স্টিম বাথ। বাষ্পস্নানে ত্বকের সৌন্দর্য তো বাড়েই, অনেক শারীরিক সমস্যারও সমাধান হয়। আর তা করাতে গিয়েই বিপদে পড়েন অভিনেত্রী জাহ্নবী কপূর। একটি টক শো-তে এসে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সনা বাথ নেওয়ার সময়ে আচমকা রক্তচাপ কমে যায় তাঁর। প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে শরীরে। জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থায় পৌঁছোন তিনি।
কেন বাষ্পস্নানের সময়ে কমতে পারে রক্তচাপ?
শরীরের ভিতরে ও বাইরের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য যখন অনেকটাই বেড়ে যায়, তখন বাইরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীর নিজেই নিজেকে ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়। সে জন্য রক্তনালিগুলি প্রসারিত হতে থাকে। এর ফলে ত্বকের দিকে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ হঠাৎ নেমে যায়।
রক্তচাপ অতিরিক্ত মাত্রায় কমে গেলে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও রক্ত পৌঁছোতে পারে না। ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা সাময়িক ভাবে জ্ঞান হারানোর মতো ঘটনা ঘটে। সনা বাথের সময়ে যদি অতিরিক্ত ঘাম হয়, তা হলে শরীর থেকে প্রচুর তরল ও খনিজ বেরিয়ে যায়, যা রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে।
রক্তচাপের হেরফের যাঁদের বেশি হয় অথবা শরীর নানা কারণে দুর্বল, প্রচণ্ড মানসিক চাপে রয়েছেন, তাঁরা বাষ্পস্নান দীর্ঘসময় ধরে নিতে থাকলে রক্তচাপ আচমকা কমে যেতে পারে। শরীরে জলশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকি মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে।
সতর্ক থাকার উপায়
স্টিম বাথ নিতে হলে তার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল বা তরল পান করুন, যা শরীর জলশূন্য না হয়ে পড়ে।
বেশিক্ষণ ধরে একটানা বাষ্পস্নান করবেন না। সনার আগে ধূমপান বা মদ্যপান করবেন না।
সনা কক্ষে একটানা বসে থাকার পরে হঠাৎ দ্রুত উঠে দাঁড়াবেন না। শরীরকে সইয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে উঠুন।
বাষ্পস্নানের সময়ে যদি মাথাঘোরা, বমি ভাব, মাথায় ব্যথা করতে থাকে বা শরীর দুর্বল লাগে, তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
ভার্টিগো থাকলে বা রক্তচাপ কম থাকলে, হার্টের কোনও সমস্যা থাকলে বাষ্পস্নানের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
কেন বাষ্পস্নানের সময়ে কমতে পারে রক্তচাপ?
শরীরের ভিতরে ও বাইরের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য যখন অনেকটাই বেড়ে যায়, তখন বাইরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীর নিজেই নিজেকে ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়। সে জন্য রক্তনালিগুলি প্রসারিত হতে থাকে। এর ফলে ত্বকের দিকে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ হঠাৎ নেমে যায়।
রক্তচাপ অতিরিক্ত মাত্রায় কমে গেলে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও রক্ত পৌঁছোতে পারে না। ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা সাময়িক ভাবে জ্ঞান হারানোর মতো ঘটনা ঘটে। সনা বাথের সময়ে যদি অতিরিক্ত ঘাম হয়, তা হলে শরীর থেকে প্রচুর তরল ও খনিজ বেরিয়ে যায়, যা রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে।
রক্তচাপের হেরফের যাঁদের বেশি হয় অথবা শরীর নানা কারণে দুর্বল, প্রচণ্ড মানসিক চাপে রয়েছেন, তাঁরা বাষ্পস্নান দীর্ঘসময় ধরে নিতে থাকলে রক্তচাপ আচমকা কমে যেতে পারে। শরীরে জলশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকি মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে।
সতর্ক থাকার উপায়
স্টিম বাথ নিতে হলে তার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল বা তরল পান করুন, যা শরীর জলশূন্য না হয়ে পড়ে।
বেশিক্ষণ ধরে একটানা বাষ্পস্নান করবেন না। সনার আগে ধূমপান বা মদ্যপান করবেন না।
সনা কক্ষে একটানা বসে থাকার পরে হঠাৎ দ্রুত উঠে দাঁড়াবেন না। শরীরকে সইয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে উঠুন।
বাষ্পস্নানের সময়ে যদি মাথাঘোরা, বমি ভাব, মাথায় ব্যথা করতে থাকে বা শরীর দুর্বল লাগে, তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
ভার্টিগো থাকলে বা রক্তচাপ কম থাকলে, হার্টের কোনও সমস্যা থাকলে বাষ্পস্নানের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ফারহানা জেরিন