উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক কুমার ঘটকের ১০১তম জন্মবর্ষ রাজশাহীতে নানা আয়োজনে উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নগরীর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসংলগ্ন ঋত্বিকের পৈতৃক বসতভিটায় ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশন, প্রদীপ প্রজ্বালন, আলোচনা সভা এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সদস্য রিয়া করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঋত্বিকের ১০১তম জন্মবর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেন মাসুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন কমিটির সদস্য সচিব ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান। জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশন করে খেলাঘর আসর, রাজশাহী।
ঋত্বিক ঘটকের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. শিখা সরকার, রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া, জেলা কালচারাল অফিসার ড. ফারুকুর রহমান ফয়সল, ডিরেক্টরস অ্যান্ড অ্যাক্টরস গিল্ড রাজশাহীর সভাপতি ওয়ালিউর রহমান বাবু এবং সেলুলয়েড ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি সীমা আক্তারসহ অন্যরা।
আলোচকেরা বলেন, ঋত্বিক কুমার ঘটক বাংলা ভাষার অন্যতম শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা। তাঁর নির্মিত মেঘে ঢাকা তারা, সুবর্ণরেখা, কোমল গান্ধার, অযান্ত্রিক ও ‘তিতাস একটি নদীর নাম বাংলা চলচ্চিত্রের অমূল্য সম্পদ। এসব চলচ্চিত্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্র শিক্ষার পাঠ্য হিসেবে স্বীকৃত। ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর জন্ম নেওয়া এই নির্মাতার সৃষ্টিকর্ম বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ঋত্বিক ঘটকের পৈতৃক বসতভিটার একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠান থেকে ঋত্বিকের পৈতৃক বসতভিটার অবশিষ্ট ০.১৬০৩ একর জমি সংরক্ষণ এবং সেখানে তাঁর নামে চলচ্চিত্রকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুকূলে ১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে দেওয়া জমির ইজারা পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনে বাতিল করে সরকারি উদ্যোগে জমিটি সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়।
অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে ওই স্থানে ঋত্বিক কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তাঁদের পরিকল্পনায় থাকবে ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র কেন্দ্র, ঋত্বিক ফিল্ম ইনস্টিটিউট, চলচ্চিত্রবিষয়ক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, সংগ্রহশালা, সাংস্কৃতিক জাদুঘর, স্টুডিও, সেমিনার হল, সিনেপ্লেক্স, প্রদর্শনী গ্যালারি, গবেষণাগার ও গ্রন্থাগার। পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রাখারও দাবি জানানো হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নগরীর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসংলগ্ন ঋত্বিকের পৈতৃক বসতভিটায় ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশন, প্রদীপ প্রজ্বালন, আলোচনা সভা এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সদস্য রিয়া করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঋত্বিকের ১০১তম জন্মবর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেন মাসুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন কমিটির সদস্য সচিব ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান। জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশন করে খেলাঘর আসর, রাজশাহী।
ঋত্বিক ঘটকের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. শিখা সরকার, রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া, জেলা কালচারাল অফিসার ড. ফারুকুর রহমান ফয়সল, ডিরেক্টরস অ্যান্ড অ্যাক্টরস গিল্ড রাজশাহীর সভাপতি ওয়ালিউর রহমান বাবু এবং সেলুলয়েড ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি সীমা আক্তারসহ অন্যরা।
আলোচকেরা বলেন, ঋত্বিক কুমার ঘটক বাংলা ভাষার অন্যতম শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা। তাঁর নির্মিত মেঘে ঢাকা তারা, সুবর্ণরেখা, কোমল গান্ধার, অযান্ত্রিক ও ‘তিতাস একটি নদীর নাম বাংলা চলচ্চিত্রের অমূল্য সম্পদ। এসব চলচ্চিত্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্র শিক্ষার পাঠ্য হিসেবে স্বীকৃত। ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর জন্ম নেওয়া এই নির্মাতার সৃষ্টিকর্ম বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ঋত্বিক ঘটকের পৈতৃক বসতভিটার একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠান থেকে ঋত্বিকের পৈতৃক বসতভিটার অবশিষ্ট ০.১৬০৩ একর জমি সংরক্ষণ এবং সেখানে তাঁর নামে চলচ্চিত্রকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুকূলে ১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে দেওয়া জমির ইজারা পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনে বাতিল করে সরকারি উদ্যোগে জমিটি সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়।
অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে ওই স্থানে ঋত্বিক কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তাঁদের পরিকল্পনায় থাকবে ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র কেন্দ্র, ঋত্বিক ফিল্ম ইনস্টিটিউট, চলচ্চিত্রবিষয়ক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, সংগ্রহশালা, সাংস্কৃতিক জাদুঘর, স্টুডিও, সেমিনার হল, সিনেপ্লেক্স, প্রদর্শনী গ্যালারি, গবেষণাগার ও গ্রন্থাগার। পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রাখারও দাবি জানানো হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :