ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে শিশুরা, রাণীশংকৈলে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই শুরু ঠাকুরমা আর মায়ের টোটকাতেই রূপ খুলেছে রশ্মিকার! পর্দায় ‘ডাকিনী বিদ্যা’! তন্ত্র সাধনা মানে কি শুধুই ক্ষতি? পায়েল ও ঋষভের ছবিতে কী উঠে আসবে? ‘১৮ ঘণ্টা কাজের পরেও ছেলেকে সময়,’ ক্যাটরিনা জানালেন, ভিকির সঙ্গে ‘রোম্যান্টিক’ সময় শিকেয় আজ চকলেট দিবস নারী পাশে থাকলে কম ব্যথা পায় পুরুষ: গবেষণা চিত্রনায়িকা পপি মা হারালেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪র্থ ট্যুরিজম ফেয়ার ও ফুড ফেস্টিভ্যাল শুরু ৪ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের ব্যস্ত রাস্তায় তরুণীকে কোলে তুলে পালানোর চেষ্টা যুবকের ‘তুই আমার থেকে বেশি আয় করিস’ মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় স্ত্রীকে রাস্তায় মারধর ইয়েমেনে সৌদি আরবের ‘অস্ত্রবাহী বিমানে’ বিস্ফোরণ নগরীজুড়ে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী সহ গ্রেপ্তার ৩৩ নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও এক ডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২ স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৫০ স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৫০ পুঠিয়ার হত্যা মামলার আসামি কুষ্টিয়ায় গ্রেফতার রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার পুঠিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে কৌশলে টয়লেটে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর...

আমি নাকি বিয়ে নিয়ে খুব প্রেশার দিই ওকে

  • আপলোড সময় : ১৪-০৯-২০২৫ ০১:৫৮:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০৯-২০২৫ ০১:৫৮:৩১ পূর্বাহ্ন
আমি নাকি বিয়ে নিয়ে খুব প্রেশার দিই ওকে আমি নাকি বিয়ে নিয়ে খুব প্রেশার দিই ওকে
অনার্স শেষে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় মাস না যেতেই জীবনটা জাহান্নামে পরিনত হয়। সাড়ে তিনটা বছর আল্লাহর ওপর ভরসা করে নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেও সংসার টিকিয়ে রাখতে না পেরে চলে আসি।

খুব কঠিন একটা সময় পার করেছি তখন। ডিপ্রেশন ছিল, মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলাম। প্রায় চার বছর গ্যাপে এসে পড়ালেখা শুরু করি জবের, আলহামদুলিল্লাহ এখন একটা সম্মানজনক সরকারি জব করি।

আমার একজন বন্ধু ছিলেন, যে ডিভোর্স থেকে শুরু করে জব পাওয়া সব স্ট্রাগল ই জানতো আমার।  ২০২৪ এর জানুয়ারিতে সে আমাকে প্রথম বিয়ের কথা বলে। আমি আমার ডিভোর্স এর ব্যাপারে তার পরিবার রাজি হবে কিনা জানতে চাইলে সে বলেছিল তার ফ্যামিলি তে সে যা বলে সবাই মেনে নেয়, তার কথার ভ্যালু তার মায়ের কাছে অনেক।
মানুষ টা আমাকে খুব বুঝতো, আমাকে খুব স্পেশাল ফিল করাতো, আমার কেন জানি মনে হতো তার সাথে আমি খুব শান্তিতে থাকতে পারবো। 
আমি তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যাই। তবে তার একটা শর্ত ছিল, তার বড় বোনের এখনো বিয়ে হয়নি, বোনের বিয়ের পর সে বিয়ে করবে।

আমারও তাড়া ছিল না, তখন জবের পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, আমিও কিছু বলিনাই আর এসব নিয়ে।

২০২৪ এর অক্টোবরে এসে সে আমাকে জানায়, একদিন তার আম্মার সাথে ডিভোর্সি মেয়ে বিয়ে করা নিয়ে কথা হইছে, আর তার আম্মা খুব রিএক্ট করেছে। সে জানায় আমার ডিভোর্স এর ইস্যুটা তার বাসায় বলা যাবে না। এটা নিয়ে আমার মনে খুব খচখচ তৈরি হয়, কিন্তু এই মানুষটাকে আমি হারাতেও চাইতাম না, তাই আসলে এই কথা মেনে নেয়া ছাড়া আমার কাছে অপশন ও ছিল না। ২৪ এর শেষে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম আপুর বিয়ে হতে যদি ৪/৫ বছর ও লাগে, তাহলে কি করবা (কারণ আমার বয়স ৩০+, সে আমার সমবয়সী) 

সে আমাকে বলেছিল ২০২৫ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত আপুর বিয়ের ওয়েট করবে, তারপর বিয়ে করবে।

এরপর আর এসব নিয়ে কথা হয়না তেমন। আমি ধরেই রেখেছি ২০২৬ এ ইনশাআল্লাহ আমাদের বিয়ে হবে, মাঝেমধ্যে বলি আন্টিকে কোনোভাবে বলে রাজি করানো যায় কিনা, বা পরে জানাজানি হলে যখন ইস্যু হবে তখন কি হবে, সে হলে বিয়ের পর ইস্যু হলে সে সব দেখবে, একান্তই যেকোনো একটা চুজ করতে হলে সে আমাকে চুজ করবে। আমিও মেনে নিই, বিশ্বাস করি তার কথা।আসলে জীবনের এমন একটা পর্যায়ে এসে তার সাথে আমার পরিচয় যে তাকে আমি নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করি, আর এটা শুধু তাকেই করি।

যাই হোক। আমি এই বছর জবে জয়েন করি। আমার কলিগ, আশেপাশের সবাই বিয়ে, ডিভোর্স এসব নিয়ে অনেক কথা বলে। এগুলা মাঝেমধ্যে আমার জন্য আনবিয়ারেবল হয়, আমি কান্নাকাটি করি বাসায় এসে। গত সপ্তাহে একদিন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, বিয়ে কবে করবে বা এই ব্যাপারে তার মতামত কি।

সে আমাকে বললো সামনের বছরের আগস্ট পর্যন্ত সময় দিতে, ততদিন আপুর জন্য অপেক্ষা করবে।

আমার এই প্রথম ফিল হলো, এই যে আমাকে এত কিছু শুনতে হয়, এত কিছু ফেইস করতে হয়, মানুষ টা সেটা বোঝেনা। আমি বললাম আরো এক বছর কেন, তুমি ২৫ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত আপুর জন্য অপেক্ষা করবা বলছিলা, ২৬ এর শুরুতে বিয়ে করি আমরা।

সে আমাকে বললো আমি নাকি তার আপুর বিষয় টা বুঝি না একটা মেয়ে হয়েও, আমি এখন বিয়ে নিয়ে কিছু বললেই ও রেগে যায় আমার সাথে। এসব দেখে আমার না আর ডিভোর্স হাইড করে বিয়ে করলে পরে ও আমার জন্য বাসায় স্ট্যান্ড নিবে, এটা বিশ্বাস হয় না। 
আমি তখন বলি যা হবে তোমার বাসায় জানায়েই হোক, আন্টিকে বিয়ের পর যেভাবে মানাবা, যেভাবে স্ট্যান্ড নিবা, সেটা এখন নাও।
এটা আমি বলায় ও আরো রেগে যায় আমার সাথে, বলে আগে কেন রাজি হইছিলাম হাইড করতে, বললে বিয়ে হবেই না কখনো। আমি নাকি বিয়ে নিয়ে খুব প্রেশার দিই ওকে। 
এসব নিয়ে খুব অশান্তি হচ্ছে। বারবার মনে হয়, মানুষ টা এখন আর আমাকে বোঝে না, আমার সাথে রেগে যায় শুধু। 

আচ্ছা, আমি কি আসলেই ভুল? আমার ওকে বিয়ে বিয়ে বলাটা কি আসলেই ভুল? আমার এসব ভয় পাওয়া, ইনসিকিউরড লাগা, কষ্ট পাওয়া, সব ভুল? নাকি ওর সাথে নতুন করে জীবন শুরু করতে চেয়েছিলাম, এটা ভুল? ।
(ফেসবুক থেকে পাওয়া)

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পুঠিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

পুঠিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২