আয়নায় দেখলেই ভাল লাগবে, এমন উজ্জ্বল ত্বক পেতে এখন শুধু আর ঘরোয়া টোটকায় ভরসা করছেন না মানুষ। দই-বেসন, দুধ-চালের গুঁড়ো, পেঁপে-কলার ক্বাথ পুরোপুরি উধাও হয়েছে, তা নয়। কিন্তু সময়ের অভাবে অনেকেই এখন ত্বকের সমস্যার দ্রুত সমাধান খুঁজছেন। যে কাজ দই-পেঁপে-বেসন ইত্যাদি এক সপ্তাহে করবে, পার্লারে গেলে আধ বেলা খরচ হবে, ক্রিম-মাস্কও সময় নেবে বেশ কয়েক দিন, সেই কাজ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেরে ফেলতে চাইছেন এ যুগের ব্যস্ত মানুষ। আর তার ফলেই কদর বাড়ছে কিছু যন্ত্রের, যা রূপচর্চায় সাহায্য করবে।
যন্ত্রের কাজ মানুষের শ্রম লাঘব করা, তা-ও আবার অনেকখানি কম সময়ে। রূপচর্চার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রও তা-ই করে। এর আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ঘরে বসেই হয় ব্রণমুক্তি। কিংবা দূর হয় শরীরের অবাঞ্ছিত চুল। খসখসে ত্বক, অনুজ্জ্বল ত্বক, ঝুলে পড়া চামড়া, ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা সবই মেটে কয়েকটি সুইচের জ্বলা-নেভায়।
এ ধরনের যন্ত্রকে বলা হয় বিউটি ডিভাইস। তবে বাংলায় রূপ-যন্ত্রও বলা যেতে পারে। ব্যস্ত জীবনে অল্প সময়ে নিখুঁত রূপচর্চার জন্য জরুরি তেমনই সাত রূপ-যন্ত্রের সঙ্গে হোক পরিচয়।
১। এলইডি ফেস মাস্ক: প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ব্যবহার করেন। আর করবেন না-ই বা কেন!ত্বকচর্চার দুনিয়ায় এই প্রযুক্তিকে এক নতুন বিপ্লবই বলা চলে। লাইট এমিটিং ডায়োড বা এলইডি প্রযুক্তির এই মাস্ক থেকে নির্গত লাল, নীল বা সবুজ আলো ত্বকের গভীর কোষে পৌঁছে কাজ করে। কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করা, বলিরেখা কমানোর পাশাপাশি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেরিয়া নষ্ট করতেও এই যন্ত্র কাজে আসে।
২। আইপিএল হেয়ার রিমুভাল ডিভাইস: পার্লারে গিয়ে বারবার ওয়াক্সিং বা থ্রেডিংয়ের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে ‘ইন্টেন্স পালস্ড লাইট’ বা আইপিএল ডিভাইস। বাহুমূলে, হাতে পায়ে বা শরীরের যে কোনও অবাঞ্ছিত জায়গারই চুল নির্মূল করতে সাহায্য করে এই যন্ত্র। এটি চুলের গোড়ায় আলোর ঝলক পাঠিয়ে স্থায়ীভাবে চুলের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। ব্যথা ছাড়াই বাড়িতে বসে মেলে মসৃণ ত্বক।
৩। ইলেকট্রিক ব্ল্যাকহেড রিমুভার: মুখের পোর্স বা লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও ব্ল্যাকহেড্স দূর করা বেশ কষ্টের। সুক্ষ্ম সাকশন প্রযুক্তিসম্পন্ন এই পোর্টেবল যন্ত্রটি ত্বকের কোনও ক্ষতি না করে অনায়াসে ব্ল্যাকহেড্স ও হোয়াইটহেড্স টেনে বের করে আনে, যা ত্বককে দেয় তাৎক্ষণিক জেল্লা।
৪। ফেসিয়াল স্টিমার: ঘরে বসেই স্পা-এর অনুভূতি পেতে ফেসিয়াল স্টিমারের জুড়ি নেই। মৃদু গরম বাষ্পের মাধ্যমে এটি ত্বকের রোমকূপগুলিকে উন্মুক্ত করে দেয়। ফলে, ভিতরে জমে থাকা তেল ও ময়লা সহজে পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র রাখতে এবং স্ক্রাবিং বা ফেসপ্যাকের পুষ্টি সহজে শুষে নিতে ফেসিয়াল স্টিমার ভাল কাজ করে।
৫। ফেসিয়াল টোনিং ডিভাইস: বয়সের ছাপ লুকোতে এবং ত্বককে টানটান রাখতে মাইক্রোকারেন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার এখন ট্রেন্ডিং। ফেসিয়াল টোনিং ডিভাইস সেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের গভীরে মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ পাঠিয়ে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং পেশিগুলিকে উদ্দীপিত করে। ফলে মুখের গড়ন বা ‘জ-লাইন’ আরও স্পষ্ট ও মেদহীন দেখায়।
৬। ইলেকট্রিক গুয়াশা: ঐতিহ্যবাহী চিনা রূপচর্চার আধুনিক রূপ হল এই ইলেকট্রিক গুয়াশা। এতে থাকে তাপ ও হালকা কম্পন প্রযুক্তি, যা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ফোলা ভাব কমে, বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায় এবং ত্বকে স্বাভাবিক গোলাপি আভা ফিরে আসে।
৭। মাইক্রোডার্মাব্রেশন টুল: সালোঁ বা ক্লিনিকের দামি ‘স্কিন পলিশিং’ ট্রিটমেন্টের সুবিধা এখন ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব এই যন্ত্রটির সাহায্য। মাইক্রোডার্মাব্রেশন টুলে থাকা সূক্ষ্ম ডায়মন্ড হেড বা এক্সফোলিয়েটিং টিপ এবং জেন্টল সাকশন প্রযুক্তি ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ সম্পূর্ণ দূর করে। ফলে ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয়, মেচেতা বা দাগছোপ হালকা হয় এবং ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয়ে মুহূর্তে ফিরে আসে উজ্জ্বল মসৃণ ভাব।
যন্ত্রের কাজ মানুষের শ্রম লাঘব করা, তা-ও আবার অনেকখানি কম সময়ে। রূপচর্চার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রও তা-ই করে। এর আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ঘরে বসেই হয় ব্রণমুক্তি। কিংবা দূর হয় শরীরের অবাঞ্ছিত চুল। খসখসে ত্বক, অনুজ্জ্বল ত্বক, ঝুলে পড়া চামড়া, ব্ল্যাক হেডসের সমস্যা সবই মেটে কয়েকটি সুইচের জ্বলা-নেভায়।
এ ধরনের যন্ত্রকে বলা হয় বিউটি ডিভাইস। তবে বাংলায় রূপ-যন্ত্রও বলা যেতে পারে। ব্যস্ত জীবনে অল্প সময়ে নিখুঁত রূপচর্চার জন্য জরুরি তেমনই সাত রূপ-যন্ত্রের সঙ্গে হোক পরিচয়।
১। এলইডি ফেস মাস্ক: প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ব্যবহার করেন। আর করবেন না-ই বা কেন!ত্বকচর্চার দুনিয়ায় এই প্রযুক্তিকে এক নতুন বিপ্লবই বলা চলে। লাইট এমিটিং ডায়োড বা এলইডি প্রযুক্তির এই মাস্ক থেকে নির্গত লাল, নীল বা সবুজ আলো ত্বকের গভীর কোষে পৌঁছে কাজ করে। কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করা, বলিরেখা কমানোর পাশাপাশি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেরিয়া নষ্ট করতেও এই যন্ত্র কাজে আসে।
২। আইপিএল হেয়ার রিমুভাল ডিভাইস: পার্লারে গিয়ে বারবার ওয়াক্সিং বা থ্রেডিংয়ের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে ‘ইন্টেন্স পালস্ড লাইট’ বা আইপিএল ডিভাইস। বাহুমূলে, হাতে পায়ে বা শরীরের যে কোনও অবাঞ্ছিত জায়গারই চুল নির্মূল করতে সাহায্য করে এই যন্ত্র। এটি চুলের গোড়ায় আলোর ঝলক পাঠিয়ে স্থায়ীভাবে চুলের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। ব্যথা ছাড়াই বাড়িতে বসে মেলে মসৃণ ত্বক।
৩। ইলেকট্রিক ব্ল্যাকহেড রিমুভার: মুখের পোর্স বা লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও ব্ল্যাকহেড্স দূর করা বেশ কষ্টের। সুক্ষ্ম সাকশন প্রযুক্তিসম্পন্ন এই পোর্টেবল যন্ত্রটি ত্বকের কোনও ক্ষতি না করে অনায়াসে ব্ল্যাকহেড্স ও হোয়াইটহেড্স টেনে বের করে আনে, যা ত্বককে দেয় তাৎক্ষণিক জেল্লা।
৪। ফেসিয়াল স্টিমার: ঘরে বসেই স্পা-এর অনুভূতি পেতে ফেসিয়াল স্টিমারের জুড়ি নেই। মৃদু গরম বাষ্পের মাধ্যমে এটি ত্বকের রোমকূপগুলিকে উন্মুক্ত করে দেয়। ফলে, ভিতরে জমে থাকা তেল ও ময়লা সহজে পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র রাখতে এবং স্ক্রাবিং বা ফেসপ্যাকের পুষ্টি সহজে শুষে নিতে ফেসিয়াল স্টিমার ভাল কাজ করে।
৫। ফেসিয়াল টোনিং ডিভাইস: বয়সের ছাপ লুকোতে এবং ত্বককে টানটান রাখতে মাইক্রোকারেন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার এখন ট্রেন্ডিং। ফেসিয়াল টোনিং ডিভাইস সেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের গভীরে মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ পাঠিয়ে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং পেশিগুলিকে উদ্দীপিত করে। ফলে মুখের গড়ন বা ‘জ-লাইন’ আরও স্পষ্ট ও মেদহীন দেখায়।
৬। ইলেকট্রিক গুয়াশা: ঐতিহ্যবাহী চিনা রূপচর্চার আধুনিক রূপ হল এই ইলেকট্রিক গুয়াশা। এতে থাকে তাপ ও হালকা কম্পন প্রযুক্তি, যা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ফোলা ভাব কমে, বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায় এবং ত্বকে স্বাভাবিক গোলাপি আভা ফিরে আসে।
৭। মাইক্রোডার্মাব্রেশন টুল: সালোঁ বা ক্লিনিকের দামি ‘স্কিন পলিশিং’ ট্রিটমেন্টের সুবিধা এখন ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব এই যন্ত্রটির সাহায্য। মাইক্রোডার্মাব্রেশন টুলে থাকা সূক্ষ্ম ডায়মন্ড হেড বা এক্সফোলিয়েটিং টিপ এবং জেন্টল সাকশন প্রযুক্তি ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ সম্পূর্ণ দূর করে। ফলে ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয়, মেচেতা বা দাগছোপ হালকা হয় এবং ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয়ে মুহূর্তে ফিরে আসে উজ্জ্বল মসৃণ ভাব।