শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্রটি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছে। পদত্যাগপত্রে নিজের দীর্ঘদিনের হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ রোগের কথা উল্লেখ করে শারীরিক অসামর্থ্যের কারণে পদত্যাগের কথা জানান তিনি। এরপর বিকেল পাঁচটায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যা জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরপরই সংবিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেয়া হাফিজ উদ্দিন আহমদ একাধারে রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের খ্যাতিমান অ্যাথলেট ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদে থাকা অবস্থায় বিদ্রোহ করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ‘জেড ফোর্সে’-এর অধীন যুদ্ধ করে অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখার আগে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনেও তার অনন্য অবদান ছিল। আশির দশকে দেশের দ্রুততম মানব হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্লু’ সম্মাননা অর্জন করেন তিনি। ফুটবলার হিসেবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। খেলা ছাড়ার পর বাফুফের সভাপতি, এএফসির সহসভাপতি এবং ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবদানের জন্য ২০০৪ সালে ফিফা তাকে ‘অর্ডার অব মেরিট’ সম্মাননা দেয়।
ভোলা-৩ আসন থেকে মোট ছয়বার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য অতীতে পানিসম্পদ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের এই সাংবিধানিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে আসীন হলেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্রটি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছে। পদত্যাগপত্রে নিজের দীর্ঘদিনের হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ রোগের কথা উল্লেখ করে শারীরিক অসামর্থ্যের কারণে পদত্যাগের কথা জানান তিনি। এরপর বিকেল পাঁচটায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যা জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরপরই সংবিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেয়া হাফিজ উদ্দিন আহমদ একাধারে রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের খ্যাতিমান অ্যাথলেট ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদে থাকা অবস্থায় বিদ্রোহ করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ‘জেড ফোর্সে’-এর অধীন যুদ্ধ করে অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত হন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখার আগে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনেও তার অনন্য অবদান ছিল। আশির দশকে দেশের দ্রুততম মানব হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্লু’ সম্মাননা অর্জন করেন তিনি। ফুটবলার হিসেবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। খেলা ছাড়ার পর বাফুফের সভাপতি, এএফসির সহসভাপতি এবং ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবদানের জন্য ২০০৪ সালে ফিফা তাকে ‘অর্ডার অব মেরিট’ সম্মাননা দেয়।
ভোলা-৩ আসন থেকে মোট ছয়বার নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য অতীতে পানিসম্পদ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের এই সাংবিধানিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে আসীন হলেন তিনি।