রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষি জমিতে মুরগির দুষিত বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে নাবা পোল্ট্রি ফার্মকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।স্থানীয়রা বলছে, গুরু পাপে লঘু দন্ডের কারণে তারা বার বার জরিমানা দিয়েও আবারো একই অপরাধ করছে। তারা বলছে, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান নাবা মুরগী ফার্ম অন্য এলাকায় স্থানান্তর অথবা বন্ধ করে দেয়া।
জানা গেছে, বুধবার (২২জুলাই) রাতে উপজেলার রিশিকুল, ঝিকড়াপাড়া উলিপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ ইসরাত জাহান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নাবা পোল্ট্রি ফার্ম থেকে নাবিল কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠা গভীর রাতে গোপনে আশপাশের বিভিন্ন কৃষি জমিতে ফেলা হচ্ছিল। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং মশা, মাছি ও বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। তাদের দাবি, এভাবে খোলা জায়গায় পোল্ট্রির দুষিত বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নাবা পোল্ট্রি ফার্মের উপস্থিত এজিএম ডা. মো. ইকবাল হোসেন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে পরিবেশদূষণের দায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলেই আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৪ লাখ টাকা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে।
এবিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ ইসরাত জাহান বলেন, "পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকাণ্ডই বরদাশত করা হবে না। পোল্ট্রি বর্জ্যসহ যেকোনো ধরনের পরিবেশদূষণ রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।তিনি আরো বলেন, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) আজিজপুর, দেউল ও লব্যাতলা ব্রীজ সংলগ্নসহ বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে মুরগীর দুষিত বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দুষণ করা করছে নাবা ফার্ম বলে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী জানান।
জানা গেছে, বুধবার (২২জুলাই) রাতে উপজেলার রিশিকুল, ঝিকড়াপাড়া উলিপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ ইসরাত জাহান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নাবা পোল্ট্রি ফার্ম থেকে নাবিল কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠা গভীর রাতে গোপনে আশপাশের বিভিন্ন কৃষি জমিতে ফেলা হচ্ছিল। এতে পুরো এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং মশা, মাছি ও বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। তাদের দাবি, এভাবে খোলা জায়গায় পোল্ট্রির দুষিত বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নাবা পোল্ট্রি ফার্মের উপস্থিত এজিএম ডা. মো. ইকবাল হোসেন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে পরিবেশদূষণের দায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলেই আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৪ লাখ টাকা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে।
এবিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ ইসরাত জাহান বলেন, "পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকাণ্ডই বরদাশত করা হবে না। পোল্ট্রি বর্জ্যসহ যেকোনো ধরনের পরিবেশদূষণ রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।তিনি আরো বলেন, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) আজিজপুর, দেউল ও লব্যাতলা ব্রীজ সংলগ্নসহ বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে মুরগীর দুষিত বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দুষণ করা করছে নাবা ফার্ম বলে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী জানান।