শিরোইল কাঁচাবাজার রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে জনৈক মোঃ শাহীন কবির কর্তৃক রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে আরএমপি।
গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জনৈক শাহীন কবির অভিযোগ করেন যে বোয়ালিয়া থানার এসআই রাজু মিয়া তার বিরুদ্ধে কোন গ্রেপ্তারী পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে তাকে মারপিট করে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করে। এছাড়াও সে জেল হাজতে থাকা অবস্থায় তার ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের কার আত্মসাৎ করে।
প্রকৃত সত্য হচ্ছে, শাহীন কবির তার স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন রেখে একজন ছাত্রীর সাথে পরকিয়া প্রেম করে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং গোপনে তার ভিডিও এবং স্থির চিত্র ধারন করে। মেয়েটি তার স্ত্রী সন্তানের কথা জানতে পেরে তার কাছ থেকে দূরে চলে যেতে চাইলে সে মেয়েটির কাছে গোপনে ধারন করা ভিডিওটি পাঠায় এবং আবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দিতে থাকে। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করলে এগুলো ইন্টারনেট এ ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। একপর্যায়ে সে এই ভিডিও ডিলিট করার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে। মেয়েটি টাকা না দিলে সে ভিডিও এবং অশ্লীল ছবিগুলো তার টিকটক আইডিতে আপলোড করে। ফলে ভুক্তভোগী মেয়েটি তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় এসআই রাজু মিয়া আইনানুগভাবে আসামিকে গ্রেপ্তার করেন এবং সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মামলার আলামত জব্দ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল এ শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও এবং স্থির চিত্র পাওয়ায় তা ফরেনসিক টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামির ব্যক্তিগত গাড়িও তার ছেলের জিম্মায় প্রদান করা হয় এবং বিষয়টি তখন জিডিভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত, আলামত জব্দ, আসামি গ্রেপ্তারসহ সকল কার্যক্রম প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে।
বিষয়টি পর্যালোচনায় এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে আসামির নিকট থেকে টাকা দাবি করা এবং তার প্রাইভেট কার আত্মসাৎ করার কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উত্থাপিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ মনে করে, যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জনৈক শাহীন কবির অভিযোগ করেন যে বোয়ালিয়া থানার এসআই রাজু মিয়া তার বিরুদ্ধে কোন গ্রেপ্তারী পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে তাকে মারপিট করে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করে। এছাড়াও সে জেল হাজতে থাকা অবস্থায় তার ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের কার আত্মসাৎ করে।
প্রকৃত সত্য হচ্ছে, শাহীন কবির তার স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন রেখে একজন ছাত্রীর সাথে পরকিয়া প্রেম করে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং গোপনে তার ভিডিও এবং স্থির চিত্র ধারন করে। মেয়েটি তার স্ত্রী সন্তানের কথা জানতে পেরে তার কাছ থেকে দূরে চলে যেতে চাইলে সে মেয়েটির কাছে গোপনে ধারন করা ভিডিওটি পাঠায় এবং আবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দিতে থাকে। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করলে এগুলো ইন্টারনেট এ ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। একপর্যায়ে সে এই ভিডিও ডিলিট করার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করে। মেয়েটি টাকা না দিলে সে ভিডিও এবং অশ্লীল ছবিগুলো তার টিকটক আইডিতে আপলোড করে। ফলে ভুক্তভোগী মেয়েটি তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় এসআই রাজু মিয়া আইনানুগভাবে আসামিকে গ্রেপ্তার করেন এবং সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মামলার আলামত জব্দ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল এ শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও এবং স্থির চিত্র পাওয়ায় তা ফরেনসিক টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামির ব্যক্তিগত গাড়িও তার ছেলের জিম্মায় প্রদান করা হয় এবং বিষয়টি তখন জিডিভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত, আলামত জব্দ, আসামি গ্রেপ্তারসহ সকল কার্যক্রম প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে।
বিষয়টি পর্যালোচনায় এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে আসামির নিকট থেকে টাকা দাবি করা এবং তার প্রাইভেট কার আত্মসাৎ করার কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উত্থাপিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ মনে করে, যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।