প্রায় দেড় কোটি টাকার কর বাকি ছিল রাজেশ খন্নার বাড়ির, সলমন এগিয়ে এলে উল্টে তাঁর উপরেই চটে যান তারকা

আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৯:৫৯:২২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৯:৫৯:২২ অপরাহ্ন
হিন্দি সিনেমা জগতের প্রথম সুপারস্টার ছিলেন রাজেশ খন্না। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে অভিনয় শুরু করেছিলেন তিনি। বলিপাড়ার তারকার খ্যাতি পাওয়া প্রথম অভিনেতা বলা হয় তাঁকে। কিন্তু রাজেশের জনপ্রিয়তার স্থায়িত্ব বেশি দিনের ছিল না। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালীন মুম্বইয়ের কার্টার রোডের একটি পরিত্যক্ত বাংলো সেই সময় ৬৫ হাজার টাকায় কেনেন রাজেশ। কিন্তু সেই বাংলোর দেড় কোটি টাকার কর বাকি পড়‌ে। সাহায্যের হাত বাড়ালে সলমন খানের উপর চটে যান রাজেশ।

কার্টার রোডের এই বাড়িটি ছিল পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত ভূষণের। তার পরে সেটি কেনেন রাজেন্দ্র কুমার। সেই সময় বাড়িটির নাম ছিল ‘ডিম্পল’। রাজেন্দ্রর মেয়ের নামে ছিল বাড়িটি। অবশেষে সত্তরের দশকে ওই বাড়িটি কেনেন রাজেশ। রাজেন্দ্রর শর্ত ছিল, বাড়ির নামটা বদলে ফেলতে হবে। রাজেন্দ্রই বলে যান এই বাড়ি রাজেশের ভাগ্য বদলে দেবে। তার শুনেই রাজেশ বাড়ির নাম রাখেন ‘আশীর্বাদ’। সাধারণ মানুষের কাছে বাংলোটি অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল সেই সময়ে। ‘আশীর্বাদ’-এর বাইরে সব সময় অনুরাগীদের ভিড় লেগে থাকত। রাজেশকে ঘিরে মহিলা অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সত্তর থেকে আশির দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী বলি অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রাজেশ।

সত্তরের দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বলিউডে উত্থান ঘটে অমিতাভ বচ্চনের। হিন্দি সিনেমা নরম নায়ক নয়, ঝুঁকতে থাকে ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’-এর দিকে।সেই সময় বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে রাজেশের সিনেমা। দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন রাজেশ। তাঁর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছোয় যে, তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচালকই কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে ফাঁকা বাংলোয় থাকতে ভাল লাগত না রাজেশের। লিঙ্কিং রোডের অফিসেই বেশি সময় কাটাতে শুরু করেন অভিনেতা। তখনই ওই বাড়িটি কেনার প্রস্তাব পাঠান সলমন। মাধ্যম হিসাবে যান চিত্রনাট্যকার রুমি জাফরি।

রুমি গিয়ে রাজেশকে জানান, ওই বাড়ির সেই সময়ের বাজারমূল্য দিয়ে কিনতে চান সলমন। এমনকি রাজেশের সমস্ত ঋণ শোধ করে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি। সেই সঙ্গে, রাজেশের প্রযোজনা সংস্থার হয়ে বিনামূল্যে একটি ছবিতে কাজ করারও প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাব শুনে রেগে যান রাজেশ। সলমনের এ হেন প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করেন। শুধু তা-ই নয়, অভিনেতা রেগেও যান সলমনের উপর। আমৃত্যু নিজের বাংলোতেই ছিলেন তিনি। কর বাকি ছিল কোটি কোটি টাকা। রাজেশের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে বাংলোটি ৯০ কোটি টাকায় এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি হয়ে যায়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]