বিশ্ব জুড়ে মহিলাদের স্বাস্থ্যঝুঁকির অন্যতম বড় কারণ জরায়ুমুখের ক্যানসার। এ দেশে প্রতি বছর প্রায় দেড় লাখ মহিলা এই ক্যানসারে আক্রান্ত হন। জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে অল্প বয়স থেকেই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে এখানে। তবে যাঁরা টিকা নিতে পারছেন না বা যাঁদের সেই বয়সও নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে ক্যানসার হলে বা ছড়িয়ে পড়লে অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি বা রেডিয়োথেরাপি ছাড়া গতি নেই। এই সমস্যার সমাধানেই নতুন ওষুধ তৈরি করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির স্টিফেনসন ক্যানসার সেন্টারের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় ওষুধটি তৈরি হয়েছে, যার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে এ দেশে।
জরায়ুমুখের ক্যানসার কি নির্মূল করবে নতুন ওষুধ?
আইসিএমআরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যানসার প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ এবং ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা তৈরি করেছেন ‘এসএইচইটিএ২’ নামে একটি ওষুধ, যা ক্যানসার কোষ ধ্বংস করবে বলে দাবি করা হয়েছে। এটি মূলত হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) দ্বারা আক্রান্ত জরায়ুমুখের কোষগুলির অনিয়মিত বিভাজন প্রতিরোধ করবে বলেও দাবি করেছেন গবেষকেরা।
জরায়ুমুখের ক্যানসারের মূল কারণ হল হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণ। এই ভাইরাসের অসংখ্য প্রজাতি আছে। তার মধ্যে কয়েকটি জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী। গবেষকেরা দাবি করেছেন, এইচপিভি-র যে স্ট্রেনগুলি ক্যানসারের জন্য দায়ী সেগুলিকে চিহ্নিত করে নষ্ট করবে ওষুধটি। ক্যানসার কোষের অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করবে।
ক্যানসার পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগের অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘সারভিক্যাল ইন্ট্রাএপিথেলিয়াল নিয়োপ্লাসিয়া’ (সিআইএন)। অর্থাৎ, একেবারে প্রাথমিক পর্ব বা ‘স্টেজ জ়িরো’। এর তিনটি ধাপ আছে— সিআইএন১, সিআইএন২, সিআইএন৩। সবচেয়ে বিপজ্জনক শেষের ধাপটি। এই পর্বে পৌঁছলে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। তখন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিছু লিম্ফ নোড-সহ জরায়ু অপসারণ করা ছাড়া গতি থাকে না। সঙ্গে কেমোথেরাপিও চলতে থাকে। আর কেমোথেরাপি কেবল ক্যানসার কোষ নষ্ট করে তা নয়, আশপাশের সুস্থ কোষগুলিরও ক্ষতি করে। কিন্তু ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা হলে এই জটিলতা থাকবে না। অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনাও অনেক কমে যাবে বলেই দাবি গবেষকদের।
ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। মানুষের শরীরে পরীক্ষার পর এর নিরাপদ মাত্রা, কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিশ্চিত হওয়ার পরেই এটি ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হবে।
জরায়ুমুখের ক্যানসার কি নির্মূল করবে নতুন ওষুধ?
আইসিএমআরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যানসার প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ এবং ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা তৈরি করেছেন ‘এসএইচইটিএ২’ নামে একটি ওষুধ, যা ক্যানসার কোষ ধ্বংস করবে বলে দাবি করা হয়েছে। এটি মূলত হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) দ্বারা আক্রান্ত জরায়ুমুখের কোষগুলির অনিয়মিত বিভাজন প্রতিরোধ করবে বলেও দাবি করেছেন গবেষকেরা।
জরায়ুমুখের ক্যানসারের মূল কারণ হল হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণ। এই ভাইরাসের অসংখ্য প্রজাতি আছে। তার মধ্যে কয়েকটি জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী। গবেষকেরা দাবি করেছেন, এইচপিভি-র যে স্ট্রেনগুলি ক্যানসারের জন্য দায়ী সেগুলিকে চিহ্নিত করে নষ্ট করবে ওষুধটি। ক্যানসার কোষের অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করবে।
ক্যানসার পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগের অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘সারভিক্যাল ইন্ট্রাএপিথেলিয়াল নিয়োপ্লাসিয়া’ (সিআইএন)। অর্থাৎ, একেবারে প্রাথমিক পর্ব বা ‘স্টেজ জ়িরো’। এর তিনটি ধাপ আছে— সিআইএন১, সিআইএন২, সিআইএন৩। সবচেয়ে বিপজ্জনক শেষের ধাপটি। এই পর্বে পৌঁছলে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। তখন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিছু লিম্ফ নোড-সহ জরায়ু অপসারণ করা ছাড়া গতি থাকে না। সঙ্গে কেমোথেরাপিও চলতে থাকে। আর কেমোথেরাপি কেবল ক্যানসার কোষ নষ্ট করে তা নয়, আশপাশের সুস্থ কোষগুলিরও ক্ষতি করে। কিন্তু ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা হলে এই জটিলতা থাকবে না। অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনাও অনেক কমে যাবে বলেই দাবি গবেষকদের।
ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। মানুষের শরীরে পরীক্ষার পর এর নিরাপদ মাত্রা, কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিশ্চিত হওয়ার পরেই এটি ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হবে।