সংঘর্ষবিরতির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইরান। তাই এখনই তাদের বিরুদ্ধে বড়সড় কোনও হামলার পরিকল্পনা নেই, জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাঁর দাবি, আলোচনা না-এগোলে সামরিক সংঘাতের পথ খোলা আছে। সেই সঙ্গে ইয়েমেনে ইরানের ‘বন্ধু’গোষ্ঠী হুথিদেরও সতর্ক করে দিয়েছেন ট্রাম্প।
ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা আগেই ভেঙে দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে আলোচনার রাস্তা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন। শুক্রবার (আমেরিকার সময়) হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওদের (ইরান) সঙ্গে কথা বলছি। আমার মনে হয়, ওরা বিষয়টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব এখন দিচ্ছে। তবে তার মানে এই নয় যে আমরা কোনও সমাধানে পৌঁছে গিয়েছি।’’ ইরানের যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কী পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বেরিয়ে আসার একটা রাস্তা অবশ্যই সামরিক বলপ্রয়োগ, যেটা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনে আক্রমণের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়ে ওদের ধ্বংস করে দিতে পারি। আর অন্য রাস্তাটাও খোলা। সমঝোতার মাধ্যমে বুদ্ধিমানের মতো যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা।’’ দু’টি সম্ভাবনার জন্যই আমেরিকা প্রস্তুত, দাবি ট্রাম্পের।
আমেরিকা-ইরানের আলোচনা চললেও পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ় প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। সেই সঙ্গে তাদের সমর্থনে সুর চড়িয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে তারা নৌ-অবরোধ শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার সৌদির দু’টি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালায় হুথি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওই অংশে আর কোনও হামলা হলে তার জন্য ইরানকে দায়ী করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে মার্কিন বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ইরানে বিক্ষিপ্ত ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এই নিয়ে টানা ১৩ দিন সেখানে হামলা চলছে। তার জবাবে পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরানও। মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা হয়েছে। আগামী দিনে বেসামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা আগেই ভেঙে দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে আলোচনার রাস্তা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন। শুক্রবার (আমেরিকার সময়) হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওদের (ইরান) সঙ্গে কথা বলছি। আমার মনে হয়, ওরা বিষয়টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব এখন দিচ্ছে। তবে তার মানে এই নয় যে আমরা কোনও সমাধানে পৌঁছে গিয়েছি।’’ ইরানের যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কী পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বেরিয়ে আসার একটা রাস্তা অবশ্যই সামরিক বলপ্রয়োগ, যেটা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনে আক্রমণের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়ে ওদের ধ্বংস করে দিতে পারি। আর অন্য রাস্তাটাও খোলা। সমঝোতার মাধ্যমে বুদ্ধিমানের মতো যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা।’’ দু’টি সম্ভাবনার জন্যই আমেরিকা প্রস্তুত, দাবি ট্রাম্পের।
আমেরিকা-ইরানের আলোচনা চললেও পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ় প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। সেই সঙ্গে তাদের সমর্থনে সুর চড়িয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে তারা নৌ-অবরোধ শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার সৌদির দু’টি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালায় হুথি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওই অংশে আর কোনও হামলা হলে তার জন্য ইরানকে দায়ী করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে মার্কিন বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ইরানে বিক্ষিপ্ত ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এই নিয়ে টানা ১৩ দিন সেখানে হামলা চলছে। তার জবাবে পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরানও। মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা হয়েছে। আগামী দিনে বেসামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।