কামান দেগে কীটনাশক ছড়িয়ে কাজ হচ্ছে না তেমন। শ্রীলঙ্কা সরকার এ বার তাই মশা নিধন করতে নামাল ড্রোনের বহর! আর সেই দায়িত্ব দেওয়া হল সে দেশের সেনাবাহিনীকে।
চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রে ডেঙ্গুতে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ! এঁদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ আক্রান্ত হয়েছেন শুধু জুলাই মাসেই! এই পরিস্থিতিতে মশককুলের বিনাশ করতে সেনার উপরেই ভরসা রাখছে কলম্বোর বামপন্থী সরকার। প্রায় দু’দশক আগে সফল ভাবে তামিল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এলটিটিই-কে নির্মূল করার পরে আবার তাই নতুন ‘মিশনে’ নেমে পড়েছে লঙ্কাফৌজ।
বিবিসি প্রকাশিত খবরে দাবি, শ্রীলঙ্কা সেনা এখন রাজধানী কলম্বো-সহ দেশের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ব্যবহার করে বহুতল ভবনের ছাদ, নির্মাণাধীন এলাকা এবং অন্যান্য স্থানে জমা জলের উৎস শনাক্ত করছে। সাধারণ ভাবে এ সব স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার জলেই ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা বংশবিস্তার করে।
শ্রীলঙ্কার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাপিলা কান্নঙ্গারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি পৃথক ধরনের (সেরোটাইপ) সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। একবার একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পরে শুধু সেই নির্দিষ্ট সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। অন্য তিনটি সেরোটাইপ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় না। ফলে অন্য কোনও সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে অভিঘাত আরও গুরুতর হতে পারে। কামানের মতোই ড্রোন থেকে মশা মারার তেল ছড়িয়ে এ বার বহুতল ও দুর্গম জায়গায় জমা জলে এডিসের বংশবৃদ্ধি ঠেকানো তাঁদের লক্ষ্য বলে কাপিলার দাবি।
চলতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রে ডেঙ্গুতে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ! এঁদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ আক্রান্ত হয়েছেন শুধু জুলাই মাসেই! এই পরিস্থিতিতে মশককুলের বিনাশ করতে সেনার উপরেই ভরসা রাখছে কলম্বোর বামপন্থী সরকার। প্রায় দু’দশক আগে সফল ভাবে তামিল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এলটিটিই-কে নির্মূল করার পরে আবার তাই নতুন ‘মিশনে’ নেমে পড়েছে লঙ্কাফৌজ।
বিবিসি প্রকাশিত খবরে দাবি, শ্রীলঙ্কা সেনা এখন রাজধানী কলম্বো-সহ দেশের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ব্যবহার করে বহুতল ভবনের ছাদ, নির্মাণাধীন এলাকা এবং অন্যান্য স্থানে জমা জলের উৎস শনাক্ত করছে। সাধারণ ভাবে এ সব স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার জলেই ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা বংশবিস্তার করে।
শ্রীলঙ্কার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাপিলা কান্নঙ্গারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি পৃথক ধরনের (সেরোটাইপ) সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। একবার একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পরে শুধু সেই নির্দিষ্ট সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। অন্য তিনটি সেরোটাইপ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় না। ফলে অন্য কোনও সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে অভিঘাত আরও গুরুতর হতে পারে। কামানের মতোই ড্রোন থেকে মশা মারার তেল ছড়িয়ে এ বার বহুতল ও দুর্গম জায়গায় জমা জলে এডিসের বংশবৃদ্ধি ঠেকানো তাঁদের লক্ষ্য বলে কাপিলার দাবি।