মাদক কারবারিকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, চার পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ১০:৩০:৩৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ১০:৩০:৩৩ অপরাহ্ন

টাকা নিয়ে আটক এক সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে গাড়িসহ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চার কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। পরদিন শুক্রবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শাহাদত হোসেনকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন মিয়া ও তুহিন মিয়া এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাকিম ও লুৎফর রহমান। তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রওশন কবীর।

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই বিকেলে সীমান্ত এলাকা থেকে আটক এক সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় একটি সাদা প্রাইভেট কার, একটি মালিকবিহীন মোটরসাইকেল এবং মাদকদ্রব্যও সেখানে নেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের দুই সদস্য ও এক চৌকিদারের সহায়তায় মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ওই ব্যক্তিকে তার গাড়িসহ ছেড়ে দেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চৌকিদার রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, এসআই তুহিন তাকে একটি সাদা কাগজ আনতে বলেন। তিনি কাগজ এনে দিলে সেটিতে মুচলেকা লেখা হয় এবং আটক ব্যক্তির স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তবে ওই মুচলেকায় কী লেখা হয়েছিল, তা তিনি জানেন না। পরে পুলিশ সদস্যরা গাড়ি নিয়ে চলে যান।

একই ইউনিয়নের আরেক চৌকিদার মো. শামীম জানান, মালিকবিহীন মোটরসাইকেলটি পরে রংপুর থেকে আসা এক ব্যক্তি নিয়ে যান।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদত হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এসআই তুহিন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। অপর তিন কর্মকর্তার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]