রাজশাহীর তানোরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বর্গাচাষীকে হাতুড়ী দিয়ে পিটিয়ে পাঁ ভেঙ্গে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা পাঁচন্দর ইউপির কৃষ্ণপুর বাজারে। রক্তাক্ত গুরুতর পাঁ ভাঙ্গা আহত বর্গা চাষী শামিম আলীকে (৪৫)উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সে উপজেলার কচুয়া জিতপুর গ্রামের আশরাফ আলীর পুত্র।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মুনসুর রহমানের ৭ বিঘা জমি প্রায় ৮ বছর ধরে বর্গা নিয়ে চাষবাদ করে আসছেন শামিম। ওই জমি নিয়ে চলমান মামলা প্রতিপক্ষ কচুয়া জিতপুর গ্রামের আতাউর রহমানের পুত্র রায়হান ও এমদাদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও প্রতিপক্ষ রায়হান ও এমদাদ বর্গাচাষী শামিমকে জমিতে বোরো ধান রোপনে নিষেধ করে। সম্প্রতি ওই জমিতে বর্গা চাষী শামিম রোপা আমন ধান রোপন করেছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় বর্গাচাষী শামিম কৃষ্ণপুর হাটে বাজার করতে আসলে তাকে একা পেয়ে রায়হান ও এমদাদ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতুড়ি নিয়ে প্রকাশ্য হামলা চালিয়ে শামিমকে পিটিয়ে পাঁ ভেঙ্গে দেয়াসহ রক্তাক্ত ও গুরুতর ভাবে আহত করেন। এসময় বাজারে উপস্থিত জনতা এগিয়ে তাকে রক্ষা করেন এবং আহতের পরিবারকে খবর দিয়ে ভ্যান যোগে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এবিষয়ে জমির মালিক কৃষ্ণপুর গ্রামের মুনসুর রহমানের জামাই মিজানুর রহমান বলেন, ওই জমির সকল কাগজপত্র আমাদের বৈধ এবং দীর্ঘদিন আমাদের দখলেই রয়েছে। প্রতিপক্ষরা হঠাৎ ওই জমি গায়ের জোরে দখলে নেয়ার চেস্টা করছে। তিনি বলেন, আদালতে চলমান মামলায় প্রতি পক্ষদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারা অন্যায় ভাবে বর্হাচাষী শামিমকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পাঁ ভেঙ্গে দিয়েছে। আহত শামিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে, চেষ্টা করেও প্রতিপক্ষ হামলাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, ঘটনার খবর পেয়েছি পরিস্থিতি একন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মুনসুর রহমানের ৭ বিঘা জমি প্রায় ৮ বছর ধরে বর্গা নিয়ে চাষবাদ করে আসছেন শামিম। ওই জমি নিয়ে চলমান মামলা প্রতিপক্ষ কচুয়া জিতপুর গ্রামের আতাউর রহমানের পুত্র রায়হান ও এমদাদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও প্রতিপক্ষ রায়হান ও এমদাদ বর্গাচাষী শামিমকে জমিতে বোরো ধান রোপনে নিষেধ করে। সম্প্রতি ওই জমিতে বর্গা চাষী শামিম রোপা আমন ধান রোপন করেছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় বর্গাচাষী শামিম কৃষ্ণপুর হাটে বাজার করতে আসলে তাকে একা পেয়ে রায়হান ও এমদাদ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতুড়ি নিয়ে প্রকাশ্য হামলা চালিয়ে শামিমকে পিটিয়ে পাঁ ভেঙ্গে দেয়াসহ রক্তাক্ত ও গুরুতর ভাবে আহত করেন। এসময় বাজারে উপস্থিত জনতা এগিয়ে তাকে রক্ষা করেন এবং আহতের পরিবারকে খবর দিয়ে ভ্যান যোগে হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এবিষয়ে জমির মালিক কৃষ্ণপুর গ্রামের মুনসুর রহমানের জামাই মিজানুর রহমান বলেন, ওই জমির সকল কাগজপত্র আমাদের বৈধ এবং দীর্ঘদিন আমাদের দখলেই রয়েছে। প্রতিপক্ষরা হঠাৎ ওই জমি গায়ের জোরে দখলে নেয়ার চেস্টা করছে। তিনি বলেন, আদালতে চলমান মামলায় প্রতি পক্ষদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারা অন্যায় ভাবে বর্হাচাষী শামিমকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পাঁ ভেঙ্গে দিয়েছে। আহত শামিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে, চেষ্টা করেও প্রতিপক্ষ হামলাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, ঘটনার খবর পেয়েছি পরিস্থিতি একন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।