নাটোরের বড়াইগ্রামে মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় আফরিন জাহান (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার ভোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের আগ্রান সুতিরপার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আফরিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার সময় আফরিন একটি মোটরসাইকেলের পেছনের আসনে ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেলে থাকা গুরুদাসপুর উপজেলার মেহেদী (১৮) ও পলক (২০) আহত হন। পরে তারা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আফরিনের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় হলেও তিনি কয়েক মাস ধরে নাটোরের বনপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে গুরুদাসপুরে নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টদের একজন।
এদিকে, অনুষ্ঠান বাতিলের পর রাতভর আফরিন কোথায় ছিলেন এবং কী পরিস্থিতিতে ভোরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়ালেও, যৌন নির্যাতন, মাদকসেবন বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, এমন দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মেলেনি। বিষয়গুলো তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মৃত্যুর কারণের পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতনের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা জানতে ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পরই এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
শুক্রবার ভোরে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের আগ্রান সুতিরপার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আফরিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার সময় আফরিন একটি মোটরসাইকেলের পেছনের আসনে ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেলে থাকা গুরুদাসপুর উপজেলার মেহেদী (১৮) ও পলক (২০) আহত হন। পরে তারা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আফরিনের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় হলেও তিনি কয়েক মাস ধরে নাটোরের বনপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে গুরুদাসপুরে নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টদের একজন।
এদিকে, অনুষ্ঠান বাতিলের পর রাতভর আফরিন কোথায় ছিলেন এবং কী পরিস্থিতিতে ভোরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়ালেও, যৌন নির্যাতন, মাদকসেবন বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, এমন দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মেলেনি। বিষয়গুলো তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মৃত্যুর কারণের পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতনের কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা জানতে ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পরই এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।