দেশজুড়ে সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে দীর্ঘদিনের ছাত্র আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এ ঘটনাকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘এই সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার সময় এসে গেছে।
শনিবার সকালে নয়াদিল্লির ১০ জনপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রাজপথে নেমে আসা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তিনি আরও দুটি দাবি সামনে আনেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
রাহুল গান্ধী কৃষক, শ্রমিক ও সমাজের অন্যান্য বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় থাকতে হবে এবং ভয়কে জয় করেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।
অন্যদিকে, পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চলমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে কোনো দেশবিরোধী শক্তি যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে, আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে সমাবেশে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর আপাতত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার সকালে নয়াদিল্লির ১০ জনপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রাজপথে নেমে আসা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তিনি আরও দুটি দাবি সামনে আনেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
রাহুল গান্ধী কৃষক, শ্রমিক ও সমাজের অন্যান্য বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় থাকতে হবে এবং ভয়কে জয় করেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।
অন্যদিকে, পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চলমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে কোনো দেশবিরোধী শক্তি যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে, আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে সমাবেশে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর আপাতত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।