এখন থেকে কোনো ব্যাংক কর্মীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠলে, তা চাকরিবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৫ সালের পুরোনো নিয়মটি সংশোধন করে যুগোপযোগী করেছে। বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে মিল রেখেই অভিযোগ নিষ্পত্তির এই সময়সীমা দুই মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত বা অভিযোগগুলো দীর্ঘদিন ঝুলে থাকবে না এবং দ্রুত সমাধান হবে। এতে ব্যাংকিং খাতে পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে, এই একটি মাত্র পরিবর্তন ছাড়া ২০০৫ সালের মূল সার্কুলারের বাকি সব নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৫ সালের পুরোনো নিয়মটি সংশোধন করে যুগোপযোগী করেছে। বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে মিল রেখেই অভিযোগ নিষ্পত্তির এই সময়সীমা দুই মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত বা অভিযোগগুলো দীর্ঘদিন ঝুলে থাকবে না এবং দ্রুত সমাধান হবে। এতে ব্যাংকিং খাতে পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে, এই একটি মাত্র পরিবর্তন ছাড়া ২০০৫ সালের মূল সার্কুলারের বাকি সব নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে।