রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একটি পুকুর থেকে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে উপজেলার রাজাবাড়িহাট এলাকায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত সাবিদুল ইসলাম (৩৫), তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার পাশ্ববর্তী এলাকার কালাম হোসেনের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত থেকে সাবিদুল নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রোববার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবিদুল দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত ছিলেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই ভবঘুরের মতো বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন| তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনা জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মাকসুদুর রহমান বলেন, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরকরা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে উপজেলার রাজাবাড়িহাট এলাকায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত সাবিদুল ইসলাম (৩৫), তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার পাশ্ববর্তী এলাকার কালাম হোসেনের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত থেকে সাবিদুল নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রোববার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবিদুল দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত ছিলেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই ভবঘুরের মতো বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন| তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনা জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মাকসুদুর রহমান বলেন, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরকরা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।