খুলনার পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর মায়ের বিরুদ্ধে। গত ১৫ জুলাই বিদ্যালয় চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা এবং খড়িয়া বিনাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জুলাই শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীর খাতায় দাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিশুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিশুও অপর শিশুর জামায় কলম দিয়ে দাগ দেয়। পরে ওই শিশু বিষয়টি তার মাকে জানায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষক ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে ওই শিক্ষার্থীর মা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর পায়ের জুতা খুলে ভুক্তভোগী শিশুকে মারধর করেন। এতে শিশুটি আহত হয় বলে অভিযোগ করেন তার বাবা।
সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বরের প্রভাব খাটিয়ে তার স্ত্রী প্রতিদিন নিজের সন্তানকে প্রথম বেঞ্চে বসান। এ ছাড়া তার দুর্ব্যবহারে অন্য অভিভাবকেরাও অতিষ্ঠ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর সিরাজুল ইসলাম প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
এরপর গত ২২ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ চারজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু বলেন, তদন্তের সময় অভিযুক্ত নারী শিক্ষার্থীকে জুতা দিয়ে আঘাত করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। একজন অভিভাবকের এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বর বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়ে গেছে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার ক্ষমা করবেন, নাকি শাস্তির আওতায় আনবেন, সেটি তিনিই জানেন।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জুলাই শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীর খাতায় দাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিশুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিশুও অপর শিশুর জামায় কলম দিয়ে দাগ দেয়। পরে ওই শিশু বিষয়টি তার মাকে জানায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষক ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে ওই শিক্ষার্থীর মা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর পায়ের জুতা খুলে ভুক্তভোগী শিশুকে মারধর করেন। এতে শিশুটি আহত হয় বলে অভিযোগ করেন তার বাবা।
সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বরের প্রভাব খাটিয়ে তার স্ত্রী প্রতিদিন নিজের সন্তানকে প্রথম বেঞ্চে বসান। এ ছাড়া তার দুর্ব্যবহারে অন্য অভিভাবকেরাও অতিষ্ঠ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর সিরাজুল ইসলাম প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
এরপর গত ২২ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ চারজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু বলেন, তদন্তের সময় অভিযুক্ত নারী শিক্ষার্থীকে জুতা দিয়ে আঘাত করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। একজন অভিভাবকের এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বর বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়ে গেছে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার ক্ষমা করবেন, নাকি শাস্তির আওতায় আনবেন, সেটি তিনিই জানেন।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।