সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ লবণাক্ত অঞ্চলে হাজার হাজার একরজুড়ে রয়েছে মাছের ঘের ও পুকুর। এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান জীবিকা মাছ চাষ। কিন্তু অধিক লাভের আশায় অনেক ঘের মালিক সড়কের পাশেই পর্যাপ্ত দূরত্ব ও সুরক্ষা বাঁধ (ভেড়ি) না রেখে ঘের নির্মাণ করায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে সরকারি সড়ক।
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক স্থানে কার্পেটিং করা সড়কের একেবারে গা ঘেঁষে ঘেরের পানি রয়েছে। সড়কের পাশের মাটি ধসে গিয়ে রাস্তার প্রান্ত ভেঙে পড়ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বড় ধরনের ফাটল ও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কগুলো কয়েক বছরের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ সড়ক সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যত নেই। উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় একাধিকবার বিষয়টি আলোচনায় এলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কের ঠিক পাশে পানি থাকলে মাটির ধারণক্ষমতা কমে যায়। ফলে সড়কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধস ও ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদে এটি সরকারের বিপুল অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সরকারি অর্থে নির্মিত সড়ক রক্ষায় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, সড়ক বিভাগ এবং মৎস্যসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ভাঙনের কবলে পড়ে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক স্থানে কার্পেটিং করা সড়কের একেবারে গা ঘেঁষে ঘেরের পানি রয়েছে। সড়কের পাশের মাটি ধসে গিয়ে রাস্তার প্রান্ত ভেঙে পড়ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বড় ধরনের ফাটল ও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কগুলো কয়েক বছরের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ সড়ক সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যত নেই। উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় একাধিকবার বিষয়টি আলোচনায় এলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কের ঠিক পাশে পানি থাকলে মাটির ধারণক্ষমতা কমে যায়। ফলে সড়কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধস ও ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদে এটি সরকারের বিপুল অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সরকারি অর্থে নির্মিত সড়ক রক্ষায় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, সড়ক বিভাগ এবং মৎস্যসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ভাঙনের কবলে পড়ে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।